জাতিবাচক বিশেষ্যের দৃষ্টান্ত-----
ক) সমাজ
খ) পানি
গ) মিছিল
ঘ) নদী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
জাতিবাচক বিশেষ্য' দ্বারা কোনো একজাতীয় প্রাণী বা পদার্থের সাধারণ নাম বোঝায়। 'নদী' বললে পৃথিবীর সমস্ত নদীকে সাধারণভাবে বোঝায়। 'সমাজ', 'মিছিল' হলো সমষ্টিবাচক বিশেষ্য এবং 'পানি' বস্তুবাচক বিশেষ্য।
Related Questions
ক) দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী
খ) একাদশ থেকে পঞ্চদশ শতাব্দী
গ) দ্বাদশ থেকে ষোড়শ শতাব্দী
ঘ) ত্রয়োদশ থেকে সপ্তদশ শতাব্দী
Note : ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, বাংলা ভাষার আদি স্তরের স্থিতিকাল ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দ। তবে সাধারণভাবে দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দীকে প্রাচীন বা আদি যুগ হিসেবে ধরা হয়। চর্যাপদ হলো এই যুগের একমাত্র সাহিত্যিক নিদর্শন।
ক) বিভিসীকা
খ) বিভীষিকা
গ) বীভিষিকা
ঘ) বীভিষীকা
Note : সঠিক বানানটি হলো 'বিভীষিকা' (ভয়াবহ দৃশ্য বা পরিস্থিতি)। এখানে দুটি 'ই-কার' (ি) এবং মাঝে 'ঈ-কার' (ী) ব্যবহৃত হয়।
ক) সংস্কৃত লিপি
খ) চীনা লিপি
গ) আরবি লিপি
ঘ) ব্রাহ্মী লিপি
Note : বাংলা লিপির উদ্ভব হয়েছে প্রাচীন ভারতীয় 'ব্রাহ্মী লিপি' থেকে। ব্রাহ্মী লিপি থেকে কুটিল লিপি এবং কুটিল লিপি থেকে বিবর্তনের মাধ্যমে বাংলা লিপির জন্ম হয়।
ক) গোলাপ
খ) শীতল
গ) নেয়ে
ঘ) গৌরব
Note : যে শব্দকে আর ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। 'গোলাপ' একটি মৌলিক শব্দ। অন্যদিকে 'শীতল' (শীত + ল), 'নেয়ে' (নাওয়া > না + ইয়া > নেয়ে) এবং 'গৌরব' (গুরু + ষ্ণ) হলো সাধিত শব্দ।
ক) চ ছ
খ) ড ঢ
গ) ব ভ
ঘ) দ ধ
Note : বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় ধ্বনি হলো অঘোষ ধ্বনি (যাদের উচ্চারণে স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় না)। চ-বর্গের প্রথম দুটি ধ্বনি হলো 'চ' এবং 'ছ', যা অঘোষ। অন্যদিকে, বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম ধ্বনি হলো ঘোষ।
ক) আরামপ্রিয়
খ) উদাসীন
গ) নিতান্ত অলস
ঘ) পরমুখাপেক্ষী
Note : গোঁফ-খেজুরে' বাগধারাটি এমন ব্যক্তিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যিনি অত্যন্ত অলস এবং কোনো কাজের প্রতি আগ্রহ দেখান না। তাই 'নিতান্ত অলস' হলো এর সঠিক অর্থ।
জব সলুশন