কোন দ্বিরুক্ত শব্দজুটি বহুবচন সংকেত করে ?
ক) পাকা পাকা আম
খ) ছি ছি কি করছ
গ) নরম নরম হাত
ঘ) উড়ু উড়ু মন
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
দ্বিরুক্ত শব্দ নানা অর্থ প্রকাশ করে। এখানে 'পাকা পাকা আম' বলতে অনেকগুলো পাকা আম বা আমের আধিক্য বোঝানো হচ্ছে, যা বহুবচনের সংকেত দেয়। অন্য অপশনগুলো তীব্রতা (ছি ছি), সামান্যতা (নরম নরম) বা ভাব (উড়ু উড়ু) প্রকাশ করছে।
Related Questions
ক) রত্না + কর
খ) রত্ন + কর
গ) রত্না + আকার
ঘ) রত্ন + আকর
Note : রত্নাকর' একটি স্বরসন্ধির উদাহরণ। নিয়মটি হলো: অ-কার কিংবা আ-কারের পর অ-কার কিংবা আ-কার থাকলে উভয়ে মিলে আ-কার হয়। এখানে 'রত্ন' (অ) + 'আকর' (আ) = রত্নাকর (আ)। 'আকর' শব্দের অর্থ ভাণ্ডার বা খনি। তাই 'রত্নাকর' মানে রত্নের খনি বা সমুদ্র।
ক) বিভক্তি
খ) ধাতু
গ) প্রত্যয়
ঘ) কৃৎ
Note : ক্রিয়া পদের যে অবিভাজ্য মূল অংশ, যা ক্রিয়ার ভাব বা কাজটি প্রকাশ করে, তাকে 'ধাতু' বা 'ক্রিয়ামূল' বলে। যেমন 'করছে' ক্রিয়াপদটির মূল অংশ হলো 'কর্' ধাতু।
ক) দুর্বলবশত অনাথিনী বসে পড়ল
খ) দুর্বলতাবশতঃ অনাথিনী বসে পড়ল
গ) দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল
ঘ) দুর্বলবশত অনাথা বসে পড়ল
Note : দুর্বলতা' একটি বিশেষ্য পদ, এর সাথে 'বশত' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'দুর্বলতাবশত' (দুর্বলতার কারণে) শব্দটি গঠিত হয়। 'অনাথ' পুংলিঙ্গ এবং এর স্ত্রীলিঙ্গ 'অনাথা'। 'অনাথিনী' শব্দটি ভুল। তাই 'দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল' বাক্যটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ।
ক) কারো পৌষ মাস, কারো সর্বনাশ
খ) চাল না চুলো, ঢেঁকী না কুলো
গ) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
ঘ) বোঝার উপর, শাকের আঁটি
Note : 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটির অর্থ হলো নিজের কোনো ক্ষতি না করে বুদ্ধির দ্বারা কার্যসিদ্ধি করা বা উভয় পক্ষ রক্ষা করে কাজ হাসিল করা। এটি 'উভয়কূল রক্ষা' ভাবার্থের সাথে সরাসরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
ক) পর্তুগিজ ভাষা থেকে
খ) আরবি ভাষা থেকে
গ) দেশী ভাষা থেকে
ঘ) ওলন্দাজ ভাষা থেকে
Note : আনারস' (পর্তুগিজ: Ananás) এবং 'চাবি' (পর্তুগিজ: Chave) শব্দ দুটি সরাসরি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ষোড়শ শতকে পর্তুগিজদের আগমনের সাথে সাথে তাদের ব্যবহৃত বহু শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান করে নেয়, যেমন- সাবান, আলমারি, বালতি ইত্যাদি।
ক) ঢাকা মেডিকেল কলেজ
খ) বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
গ) জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট
ঘ) ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস
জব সলুশন