নতুন ধান্যে হবে নবান্ন।’ বাক্যে ‘ধান্যে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
ক) অধিকরণে ৭মী
খ) নিমিত্তার্থে ৪র্থী
গ) করণে ৭মী
ঘ) অপাদানে ৭মী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
এখানে 'কী দিয়ে নবান্ন হবে?'—এই প্রশ্নের উত্তরে 'ধান্য দিয়ে' বা 'ধান্যের দ্বারা' বোঝানো হচ্ছে। অর্থাৎ, ধান্য এখানে নবান্ন হওয়ার উপকরণ বা করণ। তাই এটি করণ কারক। শব্দের শেষে 'ে' থাকায় এটি ৭মী বিভক্তি। সুতরাং, উত্তর: করণে ৭মী।
Related Questions
ক) অব্যয়ীভাব
খ) দ্বিগু
গ) বহুব্রীহি
ঘ) কর্মধারয়
Note : দ্বিগু সমাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক বিশেষণ হবে এবং পরপদের মাধ্যমে একটি সমষ্টি বা সমাহার বোঝাবে। যেমন: তিন ফলের সমাহার = ত্রিফলা। এটি দ্বিগু সমাসের নিয়ম।
ক) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
খ) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
গ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
ঘ) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
Note : শশী' ও 'কুসুম' মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস 'পুতুলনাচের ইতিকথা'-এর দুটি প্রধান চরিত্র। এই চরিত্র দুটির মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব উপন্যাসটির মূল উপজীব্য।
ক) ধনপতি সদাগর
খ) লাউ সেন
গ) কালকেতু
ঘ) চাঁদ সদাগর
Note : মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র চাঁদ সদাগর তার দৃঢ় ব্যক্তিত্ব ও দেবতাবিরোধী মনোভাবের জন্য পরিচিত। তিনি কোনোভাবেই মনসা দেবীর পূজা করতে রাজি ছিলেন না, যা তাকে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী চরিত্রে পরিণত করেছে।
ক) কাহ্নপা
খ) লুই পা
গ) ডাকাবর্ন
ঘ) মুনিদত্ত
Note : চর্যাপদের পদগুলো সন্ধ্যা বা সান্ধ্য ভাষায় রচিত হওয়ায় এর অর্থ সহজে বোঝা যেত না। সংস্কৃত ভাষায় এই পদগুলোর টীকা বা ব্যাখ্যা রচনা করেন মুনিদত্ত। তার টীকার কারণেই চর্যাপদের অর্থ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
ক) অভ্র
খ) বীচি
গ) লহরী
ঘ) ঊর্মি
Note : বীচি', 'লহরী', এবং 'ঊর্মি' এই তিনটি শব্দের অর্থ হলো ঢেউ বা তরঙ্গ। কিন্তু 'অভ্র' শব্দের অর্থ হলো মেঘ বা আকাশ। সুতরাং, 'অভ্র' শব্দটি বাকিগুলোর সমার্থক নয়।
ক) খন্ডিত
খ) স্থূল
গ) শ্লথ
ঘ) শুভ্র
Note : ভগ্ন' শব্দের অর্থ ভাঙা বা যা ভেঙে গেছে। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'খন্ডিত' শব্দের অর্থও খণ্ড বা অংশে বিভক্ত, যা 'ভগ্ন'-এর সবচেয়ে কাছের সমার্থক শব্দ।
জব সলুশন