'ব্যাকরণ' শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ কী?
ক) বিশেষভাবে করণ
খ) সাধারণভাবে বিশ্লেষণ
গ) বিশেষভাবে বিশ্লেষণ
ঘ) সাধারণভাবে সংযোজন
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ব্যাকরণ' শব্দটি বি + আ + কৃ + অন যোগে গঠিত হয়েছে। এখানে 'বি' ও 'আ' উপসর্গ এবং 'কৃ' ধাতু। এর বুৎপত্তিগত অর্থ হলো 'বিশেষভাবে বিশ্লেষণ' করা।
Related Questions
ক) কর্তা বাচ্য
খ) কর্ম বাচ্য
গ) ভাব বাচ্য
ঘ) করণ বাচ্য
Note : যে বাচ্যে কর্তা বা কর্ম কোনোটিই প্রধান থাকে না, বরং ক্রিয়ার ভাবই প্রধান হয়, তাকে ভাব বাচ্য বলে। এখানে 'আসা' ক্রিয়ার ভাবই প্রধান এবং কর্তার উল্লেখ নেই (কর্তা উহ্য)। তাই এটি ভাব বাচ্যের উদাহরণ।
ক) ফারসি
খ) আরবী
গ) ফরাসী
ঘ) পর্তুগিজ
Note : বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত 'চশমা' শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে এসেছে। এরকম আরও কিছু ফারসি শব্দ হলো: নামাজ, রোজা, তারিখ, দোকান ইত্যাদি।
ক) বাহুল্য দোষ
খ) উপমার ভুল প্রয়োগ
গ) বাগধারার দোষ
ঘ) গুরুচণ্ডালী দোষ
Note : এখানে 'হৃদয়'কে 'মন্দির' বলা হয়েছে, কিন্তু মন্দিরে বীজ বপন (উপ্ত) করা যায় না, বীজ বপন করা হয় ক্ষেত্রে বা মাটিতে। এটি একটি অনুপযুক্ত উপমা বা উপমার ভুল প্রয়োগ। তাই বাক্যটি যোগ্যতা হারিয়েছে।
ক) সাথে সাথে
খ) দিনরাত্রি
গ) রাতারাতি
ঘ) শুনশান
Note : একটি পূর্ণ পদ দুইবার ব্যবহৃত হয়ে দ্বিরুক্তি গঠন করলে তাকে পদাত্মক দ্বিরুক্তি বলে। এখানে 'সাথে সাথে' বাক্যে 'সাথে' পদটি দুবার ব্যবহৃত হয়েছে। 'দিনরাত্রি' ভিন্নার্থক শব্দযোগে এবং 'রাতারাতি' অব্যয়ের দ্বিরুক্তি।
ক) ধ্বনিতত্ত্বে
খ) রূপতত্ত্বে
গ) বাক্যতত্ত্বে
ঘ) বর্ণতত্ত্বে
Note : রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্বে শব্দ, শব্দের গঠন, প্রত্যয়, উপসর্গ, সমাস, লিঙ্গ, বচন, বিভক্তি ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। সমাস যেহেতু নতুন শব্দ গঠনের একটি প্রক্রিয়া, তাই এটি রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
ক) অঙ্গন
খ) শশী
গ) সূক্ষ্ম
ঘ) ব্রহ্ম
Note : ব্রহ্ম' শব্দের সঠিক বানান হলো 'ব্রহ্ম' (হ+ম যুক্ত, অর্থাৎ হ্ম)। প্রদত্ত বানানে হ এবং ম আলাদাভাবে লেখা হয়েছে, যা ভুল। 'অঙ্গন', 'শশী' ও 'সূক্ষ্ম' বানানগুলো শুদ্ধ।
জব সলুশন