'কবর' কবিতা ও 'কবর' নাটকের রচয়িতা যথাক্রমে-
ক) কাজী নজরুল ইসলাম ও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
গ) শামসুর রাহমান ও জহির রায়হান
ঘ) জসীমউদ্দীন ও মুনীর চৌধুরী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কবিতা হলো 'কবর'। অন্যদিকে, ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত 'কবর' নাটকটির রচয়িতা হলেন শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী।
Related Questions
ক) পথের পাঁচালী
খ) বিষাদসিন্ধু
গ) জোছনা ও জননীর গল্প
ঘ) তিতাস একটি নদীর নাম
Note : জোছনা ও জননীর গল্প' প্রখ্যাত লেখক হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। 'পথের পাঁচালী' বিভূতিভূষণের, 'বিষাদসিন্ধু' মীর মশাররফ হোসেনের এবং 'তিতাস একটি নদীর নাম' অদ্বৈত মল্লবর্মণের রচনা।
ক) সোনালী কাবিন
খ) সোনার তরী
গ) সোনার কেল্লা
ঘ) সোনালী সময়
Note : সোনালী কাবিন' বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি আল মাহমুদের সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। 'সোনার তরী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এবং 'সোনার কেল্লা' সত্যজিৎ রায়ের রচনা।
ক) স্বয়ং
খ) গীতাঞ্জলি
গ) হিমালয়
ঘ) বাংলাদেশ
Note : গীতাঞ্জলি' (গ্রন্থের নাম), 'হিমালয়' (পর্বতের নাম) এবং 'বাংলাদেশ' (দেশের নাম) - এই তিনটিই নামবাচক বিশেষ্য পদ। কিন্তু 'স্বয়ং' শব্দটি একটি আত্মবাচক সর্বনাম পদ, যা 'নিজে' অর্থে ব্যবহৃত হয়।
ক) সারী
খ) কুলটা
গ) জেনানা
ঘ) খানম
Note : যে সকল শব্দ স্বভাবতই স্ত্রীবাচক, এদের কোনো পুরুষবাচক রূপ হয় না, তাদের নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলে। 'কুলটা', 'সধবা', 'বিধবা', 'সতিন' ইত্যাদি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ। 'সারী'র পুরুষবাচক 'শুক', 'খানম'-এর 'খান'।
ক) তৎসম শব্দ
খ) অর্ধ-তৎসম শব্দ
গ) তদ্ভব শব্দ
ঘ) দেশি শব্দ
Note : যে সকল শব্দ সংস্কৃত থেকে প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে, তাদের 'তদ্ভব' শব্দ বলে। এই শব্দগুলোই বাংলা ভাষার নিজস্ব সম্পদ, তাই এদের খাঁটি বাংলা শব্দ বলা হয়। যেমন: চন্দ্র > চন্দ > চাঁদ।
ক) মুহুর্ত
খ) মূহূর্ত
গ) মূহুর্ত
ঘ) মুহূর্ত
Note : মুহূর্ত' একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ যার সঠিক বানানে ম-এ হ্রস্ব-উ (মু), হ-এ দীর্ঘ-ঊ (হূ) এবং ত-এ রেফ (র্ত) হয়। অর্থাৎ, সঠিক বানানটি হলো 'মুহূর্ত'।
জব সলুশন