কোন প্রকারের শব্দকে খাঁটি বাংলা শব্দ বলা হয়?
ক) তৎসম শব্দ
খ) অর্ধ-তৎসম শব্দ
গ) তদ্ভব শব্দ
ঘ) দেশি শব্দ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
যে সকল শব্দ সংস্কৃত থেকে প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে, তাদের 'তদ্ভব' শব্দ বলে। এই শব্দগুলোই বাংলা ভাষার নিজস্ব সম্পদ, তাই এদের খাঁটি বাংলা শব্দ বলা হয়। যেমন: চন্দ্র > চন্দ > চাঁদ।
Related Questions
ক) মুহুর্ত
খ) মূহূর্ত
গ) মূহুর্ত
ঘ) মুহূর্ত
Note : মুহূর্ত' একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ যার সঠিক বানানে ম-এ হ্রস্ব-উ (মু), হ-এ দীর্ঘ-ঊ (হূ) এবং ত-এ রেফ (র্ত) হয়। অর্থাৎ, সঠিক বানানটি হলো 'মুহূর্ত'।
ক) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ
খ) গৌড়ীয় ব্যাকরণ
গ) ভাষা ও ব্যাকরণ
ঘ) সহজ ব্যাকরণ
Note : বাঙালি রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ হলো রাজা রামমোহন রায়ের 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ', যা ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত হয়। এর আগে তিনি ইংরেজিতে একটি বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেছিলেন।
ক) বিশেষভাবে করণ
খ) সাধারণভাবে বিশ্লেষণ
গ) বিশেষভাবে বিশ্লেষণ
ঘ) সাধারণভাবে সংযোজন
Note : ব্যাকরণ' শব্দটি বি + আ + কৃ + অন যোগে গঠিত হয়েছে। এখানে 'বি' ও 'আ' উপসর্গ এবং 'কৃ' ধাতু। এর বুৎপত্তিগত অর্থ হলো 'বিশেষভাবে বিশ্লেষণ' করা।
ক) কর্তা বাচ্য
খ) কর্ম বাচ্য
গ) ভাব বাচ্য
ঘ) করণ বাচ্য
Note : যে বাচ্যে কর্তা বা কর্ম কোনোটিই প্রধান থাকে না, বরং ক্রিয়ার ভাবই প্রধান হয়, তাকে ভাব বাচ্য বলে। এখানে 'আসা' ক্রিয়ার ভাবই প্রধান এবং কর্তার উল্লেখ নেই (কর্তা উহ্য)। তাই এটি ভাব বাচ্যের উদাহরণ।
ক) ফারসি
খ) আরবী
গ) ফরাসী
ঘ) পর্তুগিজ
Note : বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত 'চশমা' শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে এসেছে। এরকম আরও কিছু ফারসি শব্দ হলো: নামাজ, রোজা, তারিখ, দোকান ইত্যাদি।
ক) বাহুল্য দোষ
খ) উপমার ভুল প্রয়োগ
গ) বাগধারার দোষ
ঘ) গুরুচণ্ডালী দোষ
Note : এখানে 'হৃদয়'কে 'মন্দির' বলা হয়েছে, কিন্তু মন্দিরে বীজ বপন (উপ্ত) করা যায় না, বীজ বপন করা হয় ক্ষেত্রে বা মাটিতে। এটি একটি অনুপযুক্ত উপমা বা উপমার ভুল প্রয়োগ। তাই বাক্যটি যোগ্যতা হারিয়েছে।
জব সলুশন