'শির নেহারি' আমারি, নতশির ওই শিধর হিমাদ্রির।'- এখানে 'নেহারি' শব্দের অর্থ কী?
ক) নীহারিকা
খ) উচ্চ
গ) দেখে
ঘ) ধরে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
কাজী নজরুল ইসলামের 'বিদ্রোহী' কবিতার এই অংশে 'নেহারি' শব্দটি 'দেখে' বা 'দেখিয়া' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। কবি বলছেন, 'আমার মাথা দেখে হিমালয়ের চূড়াও মাথা নত করেছে'। এটি একটি ক্রিয়াপদ।
Related Questions
ক) চলিত ভাষা
খ) কথ্য ভাষা
গ) লেখ্য ভাষা
ঘ) সাধু ভাষা
Note : সাধু ভাষা একটি সুনির্ধারিত ও ব্যাকরণের কঠোর নিয়ম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত লিখিত ভাষা। এর পদবিন্যাস বা বাক্য গঠনরীতি সুনির্দিষ্ট, যা সহজে পরিবর্তনীয় নয়। চলিত বা কথ্য ভাষার পদবিন্যাস অনেক বেশি শিথিল ও পরিবর্তনশীল।
ক) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও সৈয়দ আলী আহসান
খ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও মুহম্মদ আবদুল হাই
গ) মুহম্মদ আবদুল হাই, আনিসুজ্জামান ও আনোয়ার পাশা
ঘ) মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান
Note : বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত' একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা গ্রন্থ। এর প্রাচীন যুগ রচনা করেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এবং আধুনিক যুগ রচনা করেন মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান।
ক) অلک, কুন্তল, চিকুর
খ) অর্ণব, পাবক, বহ্নি
গ) ব্যোম, অন্তরীক্ষ, শূন্য
ঘ) ধরিত্রী, মহী, মেদিনী
Note : ব্যোম', 'অন্তরীক্ষ', 'শূন্য', 'গগন', 'নভ' ইত্যাদি শব্দ 'আকাশ'-এর সমার্থক। 'অলক, কুন্তল' চুলের সমার্থক; 'অর্ণব' সমুদ্রের এবং 'পাবক, বহ্নি' আগুনের সমার্থক; 'ধরিত্রী, মহী' পৃথিবীর সমার্থক।
ক) উৎপ্রেক্ষা
খ) উপরূপক
গ) উপমা
ঘ) আখ্যানরূপক
Note : দুটি ভিন্ন বস্তুর মধ্যে কোনো সাধারণ ধর্ম বা গুণের ভিত্তিতে সাদৃশ্য কল্পনা করা হলে তাকে উপমা অলঙ্কার বলে। যেমন: 'ভ্রমরের ন্যায় কৃষ্ণ কেশ'। এখানে কেশের সাথে ভ্রমরের রঙের সাদৃশ্য দেখানো হয়েছে।
ক) খুব
খ) বেশি ওজনে
গ) ভারহীন
ঘ) বেশি
Note : এই বাক্যে 'ভারি' শব্দটি পরিমাণ বা ওজন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়নি। এটি 'মনোমুগ্ধকর' বিশেষণটির মাত্রা বা তীব্রতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। সুতরাং, এখানে 'ভারি' শব্দের অর্থ 'খুব' বা 'অত্যন্ত'।
ক) কর্তৃবাচ্য
খ) কর্মবাচ্য
গ) ভাববাচ্য
ঘ) কর্মকর্তৃবাচ্য
Note : যে বাক্যে কর্মপদটি কর্তার মতো আচরণ করে, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্য বলে। এখানে 'চাঁদ' হলো কর্ম, কিন্তু সে নিজেই কর্তার ভূমিকা পালন করছে (কে দেখা যাচ্ছে? - চাঁদ)। অর্থাৎ, কর্তা এখানে অনুপস্থিত এবং কর্মই কর্তার কাজ করছে। তাই এটি কর্মকর্তৃবাচ্য।
জব সলুশন