জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি কোনটি?
ক) আলফা রশ্মি
খ) বিটা রশ্মি
গ) গামা রশ্মি
ঘ) আলট্রাভায়োলেট রশ্মি
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
গামা রশ্মি (Gamma ray) হলো উচ্চ ভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন এক প্রকার তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ। এর শক্তি অনেক বেশি হওয়ায় এটি জীবকোষের গভীরে প্রবেশ করে কোষ এবং ডিএনএ-এর মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে, যা ক্যান্সার বা জেনেটিক মিউটেশনের কারণ হতে পারে।
Related Questions
ক) রাজকাকড়া
খ) প্লাটিপাস
গ) স্কোনোডন
ঘ) ভেড়া
Note : জীবন্ত জীবাশ্ম (Living Fossil) হলো এমন কিছু জীব যারা সুদূর অতীতে উৎপত্তি লাভ করেও 거의 অপরিবর্তিত অবস্থায় এখনও টিকে আছে। রাজকাঁকড়া (Horseshoe crab) এর একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
ক) স্নায়ুকোষ
খ) লোহিত রক্তকণিকা
গ) ত্বককোষ
ঘ) শুক্রাণু
Note : দেহকোষ (Somatic cell) জীবের দেহ গঠন করে, অন্যদিকে জননকোষ (Gamete) প্রজননে অংশ নেয়। শুক্রাণু এবং ডিম্বাণু হলো জননকোষ। স্নায়ুকোষ, লোহিত রক্তকণিকা এবং ত্বককোষ বিভিন্ন ধরনের দেহকোষ।
ক) কার্বোহাইড্রেট
খ) প্রোটিন
গ) স্নেহদ্রব্য
ঘ) কোনোটিই নয়
Note : প্রোটিন বা আমিষকে দেহ গঠনকারী খাদ্য বলা হয়। এটি দেহের বৃদ্ধি, কোষের ক্ষয়পূরণ এবং নতুন কোষ গঠনের জন্য অপরিহার্য। তাই দেহকোষের পুনরুজ্জীবন বা মেরামতের জন্য প্রোটিন প্রয়োজন।
ক) 22
খ) 23
গ) 24
ঘ) 25
Note : মানুষের দেহকোষে মোট ৪৬টি বা ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে। এর মধ্যে ২২ জোড়া হলো অটোজোম (দৈহিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণকারী) এবং ১ জোড়া হলো সেক্স ক্রোমোজোম (লিঙ্গ নির্ধারণকারী)।
ক) রর্বাট হুক
খ) রবার্ট ব্রাউন
গ) রর্বাট চার্লস
ঘ) রর্বাট সেইডন
Note : ১৬৬৫ সালে ইংরেজ বিজ্ঞানী রবার্ট হুক (Robert Hooke) নিজের তৈরি অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে কর্কের পাতলা অংশ পরীক্ষা করার সময় মৌচাকের মতো ছোট ছোট কুঠুরি দেখতে পান এবং এগুলোর নাম দেন 'সেল' (Cell) বা কোষ।
ক) প্লাসটিড
খ) মাইটোকন্ড্রিয়া
গ) নিউক্লিয়াস
ঘ) ক্রোমাটিন বস্তু
Note : ব্যাকটেরিয়া হলো আদিকোষী জীব, যার কোষে কোনো সুগঠিত নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া বা প্লাস্টিড থাকে না। এর বংশগতীয় উপাদান বা ক্রোমাটিন বস্তুগুলো (DNA) সাইটোপ্লাজমে মুক্ত অবস্থায় ভাসমান থাকে, যাকে নিউক্লিওয়েড বলে।
জব সলুশন