শূন্যপুরান' গ্রন্থটির রচয়িতা কে ?
ক) রামাই পণ্ডিত
খ) ময়ূরভট্ট
গ) হুলায়দ মিশ্র
ঘ) ভারতচন্দ্র
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
'শূন্যপুরাণ' মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ, যা মূলত বৌদ্ধধর্মের শূন্যবাদ এবং লৌকিক ধর্মের মিশ্রণে রচিত। এর রচয়িতা হিসেবে রামাই পণ্ডিতকে গণ্য করা হয়। এটি ধর্মপূজার শাস্ত্রগ্রন্থ হিসেবেও পরিচিত।
Related Questions
ক) বেগম সুফিয়া কামাল
খ) মহাশ্বেতা দেবী
গ) পাদ্মাবতী
ঘ) চন্দ্রাবতী
Note : বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি হিসেবে স্বীকৃত চন্দ্রাবতী। তিনি ছিলেন ষোড়শ শতকের মনসামঙ্গল কাব্যের অন্যতম কবি দ্বিজ বংশীদাসের কন্যা। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্য হলো 'মলুয়া', 'দস্যু কেনারামের পালা' এবং অসমাপ্ত 'রামায়ণ'।
ক) বড় চন্ডীদাস
খ) ভারতচন্দ্র
গ) ময়ূরভট্ট
ঘ) ভাড়ু দত্ত
Note : এই বিখ্যাত উক্তিটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের অংশ। ঈশ্বরী পাটনী দেবী অন্নপূর্ণার কাছে তার সন্তানদের জন্য এই প্রার্থনাটি করেছিলেন, যা বাঙালি সংস্কৃতির এক শাশ্বত প্রার্থনা হিসেবে পরিচিত।
ক) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
খ) সুকুমার সেন
গ) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ঘ) ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
Note : হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদ আবিষ্কার করেন। কিন্তু ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর 'The Origin and Development of the Bengali Language' (ODBL) গ্রন্থে প্রথম প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা বাংলা। তিনিই এর নাম দেন আদি বাংলা বা Old Bengali।
ক) আত্মজীবনী
খ) কাব্যগ্রন্থ
গ) উপন্যাস
ঘ) প্রবন্ধ সংকলন
Note : 'বিষাদসিন্ধু' (১৮৮৫) মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস। কারবালার যুদ্ধ এবং ইমাম হাসান ও হোসেনের করুণ পরিণতি এর মূল উপজীব্য। গদ্যে লেখা হলেও এর বর্ণনা ও ভাষা কাব্যিক, তবে আঙ্গিকের বিচারে এটি একটি উপন্যাস।
ক) সেন আমলে
খ) গুপ্ত আমলে
গ) পাঠান আমলে
ঘ) পাল আমলে
Note : বাংলা লিপির উদ্ভব হয়েছে কুটিল লিপি থেকে, যার উৎস ব্রাহ্মী লিপি। পাল শাসনামলে এই লিপির গঠনকার্য শুরু হলেও সেন আমলে এসে বাংলা লিপি একটি স্থিতিশীল ও স্বতন্ত্র রূপ লাভ করে। এই সময়েই অক্ষরের গঠন চূড়ান্ত রূপ পেতে শুরু করে, যা আধুনিক বাংলা লিপির ভিত্তি স্থাপন করে।
ক) প্রত্ন বাঙ্গাল
খ) প্রত্ন উড়িয়া
গ) প্রাকৃত
ঘ) বৈদিক ভাষা
Note : বাংলা একটি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের ইন্দো-আর্য শাখার ভাষা। এর ক্রমবিকাশ: বৈদিক > সংস্কৃত > প্রাকৃত > অপভ্রংশ > বাংলা। মাগধী প্রাকৃত থেকে মাগধী অপভ্রংশ ও অবহট্ঠের মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে। তাই বাংলা ভাষার ঠিক পূর্ববর্তী স্তর হলো প্রাকৃত (এবং তার পরবর্তী অপভ্রংশ)।
জব সলুশন