চর্যাপদ যে বাংলা ভাষায় রচিত এটি প্রথম কে প্রমাণ করেন ?
ক) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
খ) সুকুমার সেন
গ) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ঘ) ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদ আবিষ্কার করেন। কিন্তু ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর 'The Origin and Development of the Bengali Language' (ODBL) গ্রন্থে প্রথম প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা বাংলা। তিনিই এর নাম দেন আদি বাংলা বা Old Bengali।
Related Questions
ক) আত্মজীবনী
খ) কাব্যগ্রন্থ
গ) উপন্যাস
ঘ) প্রবন্ধ সংকলন
Note : 'বিষাদসিন্ধু' (১৮৮৫) মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস। কারবালার যুদ্ধ এবং ইমাম হাসান ও হোসেনের করুণ পরিণতি এর মূল উপজীব্য। গদ্যে লেখা হলেও এর বর্ণনা ও ভাষা কাব্যিক, তবে আঙ্গিকের বিচারে এটি একটি উপন্যাস।
ক) সেন আমলে
খ) গুপ্ত আমলে
গ) পাঠান আমলে
ঘ) পাল আমলে
Note : বাংলা লিপির উদ্ভব হয়েছে কুটিল লিপি থেকে, যার উৎস ব্রাহ্মী লিপি। পাল শাসনামলে এই লিপির গঠনকার্য শুরু হলেও সেন আমলে এসে বাংলা লিপি একটি স্থিতিশীল ও স্বতন্ত্র রূপ লাভ করে। এই সময়েই অক্ষরের গঠন চূড়ান্ত রূপ পেতে শুরু করে, যা আধুনিক বাংলা লিপির ভিত্তি স্থাপন করে।
ক) প্রত্ন বাঙ্গাল
খ) প্রত্ন উড়িয়া
গ) প্রাকৃত
ঘ) বৈদিক ভাষা
Note : বাংলা একটি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের ইন্দো-আর্য শাখার ভাষা। এর ক্রমবিকাশ: বৈদিক > সংস্কৃত > প্রাকৃত > অপভ্রংশ > বাংলা। মাগধী প্রাকৃত থেকে মাগধী অপভ্রংশ ও অবহট্ঠের মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে। তাই বাংলা ভাষার ঠিক পূর্ববর্তী স্তর হলো প্রাকৃত (এবং তার পরবর্তী অপভ্রংশ)।
ক) 60
খ) 72
গ) 84
ঘ) 86
Note : ধরি, সংখ্যাটি x। প্রশ্নমতে, (x/৪) + ৪ = (x/৩) - ১। বা, ৪ + ১ = (x/৩) - (x/৪)। বা, ৫ = (৪x - ৩x) / ১২। বা, ৫ = x/১২। বা, x = ৫ * ১২ = ৬০। সুতরাং, সংখ্যাটি হলো ৬০।
ক) 20
খ) 35
গ) 42
ঘ) কোনোটিই নয়
Note : ধরি, মোট মার্বেল xটি। কালো = x/৩, লাল = x/২। হলুদ = x - (x/৩ + x/২) = x - (৫x/৬) = x/৬। লাল ও হলুদ মিলে আছে = (x/২) + (x/৬) = (৩x+x)/৬ = ৪x/৬ = ২x/৩ টি। প্রশ্নমতে, ২x/৩ = ৪২। বা, x = (৪২ * ৩) / ২ = ৬৩। মোট মার্বেল ৬৩টি। কালো মার্বেল আছে = x/৩ = ৬৩/৩ = ২১টি। অপশনে ২১ না থাকায় উত্তর হবে 'কোনোটিই নয়'।
ক) 72
খ) 80
গ) 85
ঘ) 96
Note : কমলাপুর থেকে কুমিল্লার দূরত্ব = গতি * সময় = ৫০ কি.মি./ঘণ্টা * ৪ ঘণ্টা = ২০০ কি.মি.। পারাবত ট্রেনটি মহানগর ট্রেন ছাড়ার (৪০ মিনিট পর) এবং পৌঁছানোর (৫০ মিনিট আগে) মোট সময় সাশ্রয় করে = ৪০ + ৫০ = ৯০ মিনিট = ১.৫ ঘণ্টা। সুতরাং, মহানগর ট্রেনের কুমিল্লা পৌঁছাতে সময় লাগে = ৪ - ১.৫ = ২.৫ ঘণ্টা। মহানগরের গতি = দূরত্ব / সময় = ২০০ / ২.৫ = ৮০ কি.মি./ঘণ্টা।
জব সলুশন