নিচের কোনটি অল্পপ্রাণ ধ্বনি ?
ক) ঘ
খ) ঠ
গ) প
ঘ) থ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুর চাপ কম থাকে, তাদের অল্পপ্রাণ ধ্বনি বলে। প্রতিটি বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ। এখানে 'প' হলো প-বর্গের প্রথম বর্ণ, তাই এটি অল্পপ্রাণ ধ্বনি। 'ঘ', 'ঠ', 'থ' হলো মহাপ্রাণ ধ্বনি।
Related Questions
ক) কথ্যরীতি
খ) আঞ্চলিক
গ) সাধু
ঘ) চলিত
Note : সাধু রীতি বাংলা ভাষার একটি লেখ্য রূপ, যা মূলত উনিশ শতকে আনুষ্ঠানিক লেখা ও সাহিত্যের জন্য ব্যবহৃত হতো। এর পদবিন্যাস সুনির্দিষ্ট এবং ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ পূর্ণাঙ্গ। এটি মুখের ভাষায় বা কথ্যরূপে ব্যবহৃত হয় না।
ক) ধ্বনিতত্ত্ব
খ) ভূ তত্ত্ব
গ) রুপতত্ত্ব
ঘ) বাক্যতত্ত্ব
Note : বাংলা ব্যাকরণের প্রধান আলোচ্য বিষয় চারটি: ১. ধ্বনিতত্ত্ব (Phonology), ২. রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্ব (Morphology), ৩. বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম (Syntax), এবং ৪. অর্থতত্ত্ব (Semantics)। 'ভূতত্ত্ব' (Geology) একটি ভিন্ন বিজ্ঞান, যা ব্যাকরণের শাখা নয়।
ক) মৃন্ময়
খ) মেটেল
গ) চিন্ময়
ঘ) মন্ময়
Note : এটি একটি এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন। 'মৃত্তিকা দিয়ে তৈরি' এমন বস্তুকে এক কথায় 'মৃন্ময়' বলা হয়। যেমন: মৃন্ময় পাত্র। অন্য অপশনগুলো ভুল; 'চিন্ময়' অর্থ জ্ঞানময়, 'মন্ময়' অর্থ মনোময়।
ক) রামাই পণ্ডিত
খ) ময়ূরভট্ট
গ) হুলায়দ মিশ্র
ঘ) ভারতচন্দ্র
Note : 'শূন্যপুরাণ' মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ, যা মূলত বৌদ্ধধর্মের শূন্যবাদ এবং লৌকিক ধর্মের মিশ্রণে রচিত। এর রচয়িতা হিসেবে রামাই পণ্ডিতকে গণ্য করা হয়। এটি ধর্মপূজার শাস্ত্রগ্রন্থ হিসেবেও পরিচিত।
ক) বেগম সুফিয়া কামাল
খ) মহাশ্বেতা দেবী
গ) পাদ্মাবতী
ঘ) চন্দ্রাবতী
Note : বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি হিসেবে স্বীকৃত চন্দ্রাবতী। তিনি ছিলেন ষোড়শ শতকের মনসামঙ্গল কাব্যের অন্যতম কবি দ্বিজ বংশীদাসের কন্যা। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্য হলো 'মলুয়া', 'দস্যু কেনারামের পালা' এবং অসমাপ্ত 'রামায়ণ'।
ক) বড় চন্ডীদাস
খ) ভারতচন্দ্র
গ) ময়ূরভট্ট
ঘ) ভাড়ু দত্ত
Note : এই বিখ্যাত উক্তিটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের অংশ। ঈশ্বরী পাটনী দেবী অন্নপূর্ণার কাছে তার সন্তানদের জন্য এই প্রার্থনাটি করেছিলেন, যা বাঙালি সংস্কৃতির এক শাশ্বত প্রার্থনা হিসেবে পরিচিত।
জব সলুশন