গুণহীন চিরদিন থাকে পরাধীন" কোন কারকে কোন বিভক্তি?
ক) কর্তায় শূন্য
খ) কর্মে শূন্য
গ) করণে শূন্য
ঘ) অপাদানে শূন্য
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বাক্যের ক্রিয়াকে 'কে' বা 'কারা' দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা কর্তৃকারক। 'কে পরাধীন থাকে?'— উত্তরে আসে 'গুণহীন'। এখানে 'গুণহীন' শব্দটি কর্তা এবং এর সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই, তাই এটি কর্তায় শূন্য বিভক্তি।
Related Questions
ক) বিস্ময়
খ) অলংকার
গ) করুণা
ঘ) বিরক্তি
Note : দূর' শব্দটি এখানে একটি ছি ছি বা অননুমোদনসূচক ভাব প্রকাশ করছে, যা বিরক্তি বা অসন্তোষের পরিচায়ক। বক্তা এমন কথা শুনে বিরক্ত হয়েছেন যা তার কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।
ক) কারা যোজক
খ) বিকল্প যোজক
গ) সাপেক্ষ যোজক
ঘ) সাধারণ যোজক
Note : যে যোজকগুলো একে অপরের ওপর নির্ভরশীল এবং বাক্যে জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত হয়ে দুটি খণ্ডবাক্যকে যুক্ত করে, তাদের সাপেক্ষ যোজক বলে। যেমন: 'যিনিই...তিনিই', 'যত...তত', 'যেমন...তেমন' ইত্যাদি।
ক) পাউরুটি
খ) দারোগা
গ) ওলন্দাজ
ঘ) কার্তুজ
Note : বাংলা ভাষায় বহু বিদেশি শব্দ প্রচলিত আছে। 'পাউরুটি' শব্দটি পর্তুগিজ 'pão' (রুটি) থেকে এসেছে। একইভাবে আনারস, আলপিন, চাবি, বালতি ইত্যাদিও পর্তুগিজ শব্দ।
ক) এ, ঐ
খ) ই, ঈ
গ) উ, ঊ
ঘ) ও, ঔ
Note : যে সব বর্ণ উচ্চারণের সময় জিহ্বার মধ্যভাগ তালুর কাছাকাছি এসে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে তালব্য বর্ণ বলে। বাংলা স্বরবর্ণের মধ্যে 'ই' এবং 'ঈ' হলো তালব্য বর্ণ।
ক) অসমিয়া
খ) উড়িয়া
গ) হিন্দী
ঘ) ব্রজবুলি
Note : ভাষাবিদদের মতে, মাগধী প্রাকৃত থেকে সৃষ্ট পূর্বী অপভ্রংশ থেকে কালক্রমে তিনটি প্রধান ভাষা শাখার জন্ম হয়: বাংলা, অসমিয়া এবং উড়িয়া। এর মধ্যে বাংলা ও অসমিয়া ভাষা বঙ্গকামরূপি শাখা থেকে উদ্ভূত হয়েছে।
ক) প্রচণ্ড উত্তেজনা
খ) রাশভারী
গ) প্রবল আনন্দিত
ঘ) অপ্রত্যাশিত বিপদ
Note : সপ্তমে চড়া' বাগধারাটি দ্বারা সাধারণত প্রচণ্ড রাগ, ক্ষোভ বা উত্তেজনা প্রকাশ করা বোঝায়। যখন কারো গলার স্বর উত্তেজনায় বা রাগে সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছায়, তখন এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।
জব সলুশন