জ্বিন-পরী' কোন শব্দযোগে সাধিত?
ক) বিপরীতার্থক
খ) সমার্থক
গ) মিলনার্থক
ঘ) বিরোধার্থক
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
'জ্বিন' এবং 'পরী' দুটি ভিন্ন শব্দ হলেও এদের মধ্যে একটি অর্থগত ও ভাবগত মিল রয়েছে, উভয়ই অতিপ্রাকৃত সত্তা। তাই এটি মিলনার্থক শব্দযোগে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাস।
Related Questions
ক) দিবারাত্রির কাব্য
খ) পথের পাঁচালী
গ) বোবা কাহিনী
ঘ) নৌকাডুবি
Note : 'অপু' এবং 'দুর্গা' হলো বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস 'পথের পাঁচালী'র দুটি প্রধান ও অমর শিশু চরিত্র।
ক) সংস্কৃত
খ) প্রাকৃত
গ) পালি
ঘ) গৌড় অপভ্রংশ
Note : ভাষা গবেষকদের মধ্যে বাংলা ভাষার উৎপত্তি নিয়ে মতভেদ আছে। ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় মনে করতেন মাগধী প্রাকৃতের অপভ্রংশ থেকে বাংলা ভাষার উদ্ভব। কিন্তু ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, গৌড়ীয় প্রাকৃতের বিকৃত রূপ বা গৌড় অপভ্রংশ থেকে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে।
ক) পৃথিবী
খ) চাঁদ
গ) আকাশ
ঘ) সূর্য
Note : 'মহী' একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ পৃথিবী। পৃথিবীর অন্যান্য সমার্থক শব্দ হলো - অবনী, ধরা, ধরণী, বসুন্ধরা, মেদিনী ইত্যাদি।
ক) কর্মকর্তৃবাচ্য
খ) কর্মবাচ্য
গ) কর্তৃবাচ্য
ঘ) ভাববাচ্য
Note : এই বাক্যে 'বাঁশী' হলো কর্ম, কিন্তু এটি কর্তার মতো কাজ করছে (কে বাজে? - বাঁশী)। যখন বাক্যের কর্ম কর্তার কাজ সম্পাদন করে, তখন তাকে কর্মকর্তৃবাচ্য বলে।
ক) সুখী
খ) শ্বশ্রৃ
গ) প্রকৃতি
ঘ) একাদশী
Note : 'সুখী' শব্দটি পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হতে পারে। এটি একটি বিশেষণ যা লিঙ্গ নিরপেক্ষ। অন্যদিকে, শ্বশ্রূ (শাশুড়ি), প্রকৃতি (স্বভাব, নারী অর্থেও ব্যবহৃত) এবং একাদশী (তিথি) স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দ।
ক) আভাস
খ) গরমিল
গ) অজানা
ঘ) বেমালুম
Note : 'অজানা' শব্দটি 'অ' উপসর্গযোগে গঠিত। এখানে 'অ' একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা 'নিন্দিত', 'নেতিবাচক' বা 'অভাব' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। 'গরমিল' ও 'বেমালুম' বিদেশি উপসর্গ এবং 'আভাস'-এ 'আ' তৎসম উপসর্গ।
জব সলুশন