বাংলা ভাষায় যতি চিহ্ন প্রচলন করেন কে?
ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
খ) দীনবন্ধু মিত্র
গ) কালীপ্রসন্ন সিংহ
ঘ) রাজা রামমোহন রায়
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরই প্রথম বাংলা ভাষায় যতি চিহ্নের যথাযথ প্রচলন করেন। তাঁর আগে বাংলা গদ্যে কেবল দাঁড়ি (।) ও ডাবল দাঁড়ি (।।) ব্যবহৃত হত। তিনি ইংরেজি ভাষার অনুসরণে কমা, সেমিকোলন, প্রশ্নবোধক চিহ্ন ইত্যাদির ব্যবহার শুরু করে বাংলা গদ্যকে সুশৃঙ্খল ও প্রাঞ্জল করে তোলেন।
Related Questions
ক) ৩ টি
খ) ৬ টি
গ) ২ টি
ঘ) ৪ টি
Note : একটি আদর্শ ব্যক্তিগত পত্রের সাধারণত ৬টি অংশ থাকে। অংশগুলো ক্রমানুসারে হলো: ১. স্থান ও তারিখ, ২. সম্বোধন, ৩. মূল বক্তব্য বা পত্রগর্ভ, ৪. লেখকের স্বাক্ষর বা ইতি, ৫. লেখকের নাম এবং ৬. শিরোনাম (খামের উপরের প্রাপকের ঠিকানা)।
ক) বউকে
খ) শিক্ষককে
গ) পিতাকে
ঘ) বন্ধুকে
Note : ইয়ার' শব্দটি একটি অনানুষ্ঠানিক ও ঘনিষ্ঠ সম্বোধন, যা সাধারণত সমবয়সী বা ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। এটি শিক্ষক, পিতা বা অন্য কোনো গুরুজনকে সম্বোধনের জন্য উপযুক্ত নয়। এর ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে বন্ধুত্বের সম্পর্কের উপর নির্ভরশীল।
ক) প্রাপক-প্রেরকের বয়সভেদে
খ) হিন্দু ও মুসলিম রীতিতে
গ) প্রাপক-প্রেরকের সম্পর্কভেদে
ঘ) উপরের সবকটি
Note : পত্রের সম্বোধন নির্ভর করে প্রেরক ও প্রাপকের মধ্যকার সম্পর্কের ওপর। এই সম্পর্কের ভিন্নতার কারণ হতে পারে বয়স (বড় বা ছোট), ধর্মীয় রীতি (যেমন: আদাব, নমস্কার), এবং সম্পর্কের ধরন (বাবা, বন্ধু, শিক্ষক)। সুতরাং, প্রদত্ত সবকটি অপশনই সম্বোধনের ভিন্নতার কারণ হতে পারে।
ক) ব্যক্তিগত পত্র
খ) সামাজিক পত্রে
গ) মানপত্রে
ঘ) বাণিজ্যিক পত্রে
Note : বাণিজ্যিক বা দাপ্তরিক পত্রে মূল বক্তব্যের আগে 'বিষয়' উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক। কারণ, এসব ক্ষেত্রে প্রাপকের হাতে সময় কম থাকে এবং 'বিষয়' দেখে তিনি দ্রুত পত্রটির উদ্দেশ্য সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারেন। ব্যক্তিগত বা সামাজিক পত্রে সাধারণত আলাদা করে বিষয় লেখার প্রয়োজন হয় না।
ক) পূর্ণ ও স্পষ্ট ঠিকানা
খ) প্রয়োজনীয় সীলমোহর
গ) উপযুক্ত সম্ভাষণ
ঘ) সঠিক দিন তারিখ
Note : 'ডেড লেটার' বা 'মৃত পত্র' হলো সেই চিঠি যা প্রেরক বা প্রাপক—কারো কাছেই পৌঁছানো যায় না। এর প্রধান কারণ হলো চিঠির খামের উপর প্রাপকের ঠিকানা অসম্পূর্ণ, অস্পষ্ট বা ভুল থাকা। পূর্ণ ও স্পষ্ট ঠিকানার অভাবে ডাক বিভাগ চিঠিটি বিলি করতে পারে না এবং এটি 'ডেড লেটার' হিসেবে গণ্য হয়।
ক) ড্যাস
খ) কোলন
গ) সেমিকোলন
ঘ) হাইফেন
Note : যৌগিক বা মিশ্র বাক্যে, দুটি স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য যখন একে অপরের সাথে সম্পর্কিত কিন্তু কিছুটা ভিন্ন ভাব প্রকাশ করে, তখন তাদের সংযোগস্থলে ড্যাশ (—) ব্যবহৃত হয়। এটি বাক্যের বিভিন্ন অংশের মধ্যে সুস্পষ্ট বিচ্ছেদ ও সংযোগ স্থাপন করে। যেমন: তোমরা দরিদ্রের উপকার কর—এতে তোমাদের সম্মান যাবে না, বাড়বে।
জব সলুশন