নাড়ীর স্পন্দন প্রবাহিত হয়-
যেসব রক্তনালির মাধ্যমে রক্ত হৃৎপিণ্ড থেকে দেহের বিভিন্ন অংশে প্রবাহিত হয় তাকে ধমনি বলে। ধমনির ভিতর দিয়ে নাড়ির স্পন্দন প্রবাহিত হয়।
Related Questions
- নীল দর্পণ (১৮৬০) দীনবন্ধু মিত্রের নীলকর সাহেবদের নীল চাষিদের উপর বীভৎস অত্যচার অবলম্বনে রচিত নাটক।
- এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম সাহিত্যকর্ম।
- এর ইংরেজি অনুবাদ করেন A Native ছদ্মনামে মাইকেল মধুসূদন দত্ত। অনুবাদটি ১৮৬১ সালে Nil Darpan or The Indigo Planting Mirror নামে প্রকাশিত হয়।
- উল্লেখযোগ্য চরিত্রঃ গোলক বসু, নবীন মাধব, তোরাপ, বাইচরণ, সাবিত্রী।
- নাটকটিকে Uncle Tom`s Cabin এর সাথে তুলনা করা হয়।
• রবীন্দ্র-উত্তর আধুনিক বাংলা কবিতায় পঞ্চপাণ্ডবের একজন ছিলেন জীবনানন্দ দাশ।
• তার জন্ম ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারী বরিশাল জেলার ধানসিঁড়ি নদীর তীরে এক ব্রাহ্ম পরিবারে।
• প্রতিভাবান এই কবি কলকাতায় ট্রামের নিচে পড়ে আহত হন এবং ২২ অক্টোবর ১৯৫৪ মারা যান।
গণদেবতা--তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়,
আরণ্যক--বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়,
বিষবৃক্ষ-- বঙ্কিমচন্দ্র,
ঘরে-বাইরে-- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
ঘরে-বাইরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি রাজনৈতিক উপন্যাস। বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত এই উপন্যাসের প্রকাশকাল ১৯১৬। ১৯৮৪ সালে প্রখ্যাত চিত্রপরিচালক সত্যজিৎ রায় এই উপন্যাসটি চলচ্চিত্রায়িত করেন। এটি 'সবুজপত্র' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এর উল্লেখযােগ্য চরিত্র- নিখিলেশ, বিমলা ও সন্দীপ।
"একুশে ফেব্রুয়ারি "(১৯৫৩) ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম সাহিত্য সংকলনের সম্পাদক ছিলেন হাসান হাফিজুর রহমান। "একুশে ফেব্রুয়ারি " সংকলনটি প্রকাশের তিন সপ্তাহের মধ্যেই পাকিস্তান সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়। তার এ সংকলনেই "আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো" গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষিতে আমার সোনার বাংলা কবিতাটি রচনা করেন। কবিতাটি গীতাবিতান কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। জাতীয় সঙ্গীত বাংলার প্রকৃতির সৌন্দর্যের কথা ফুটে ওঠেছে।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ পঙক্তিসমূহ:
- "কোথায় স্বর্গ? কোথায় নরক? কে বলে তা বহুদুর? মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর।" (স্বর্গ-নরক: শেখ ফজলল করিম)
- "সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন / হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন।" (শেখ ফজলল করিম)
- "চিরসুখী জন ভ্রমে কি কখন / ব্যথিত বেদন বুঝিতে পারে? কি যাতনা বিষে বুঝিবে সে কিসে / কভু আশীবিষে দংশেনি যারে।" (সমব্যথী: কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার)
- "যে জন দিবসে মনের হরষে, জ্বালায় মোমের বাতি, আশু গৃহে তার, দেখিবে না আর, / নিশীথে প্রদীপ ভাতি।" (কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার)
- "কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমলতুলিতে / দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহিতে?" (কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার)
- "কেন পান্থ ক্ষান্থ হও হেরি দীর্ঘ পথ / উদ্যম বিহনে কার পুরে মনোরথ।" (কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার)
- "পারিবনা একথাটি বলিও না আর, কেন পারিবেনা তাহা ভাব একবার, পাঁচজনে পারে যাহা, তুমিও পারিবে তাহা, পার কি না পার কর যতন আবার / একবার না পারিলে দেখ শতবার।" (পারিব না: কালীপ্রসন্ন ঘোষ)
জব সলুশন