'শিকওয়াহ ও জওয়াব-ই-শিকওয়াহ' অনুবাদ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
ক) আবুল কালাম শামসুদ্দীন
খ) কাজী আবদুল ওদুদ
গ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ঘ) ইব্রাহীম খাঁ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
'শিকওয়াহ ও জওয়াব-ই-শিকওয়াহ' (অভিযোগ ও অভিযোগের জবাব) গ্রন্থটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ অনুবাদ করেছেন। এটি আসলে ইকবাল রচিত একটি বিখ্যাত উর্দু কবিতা।
Related Questions
ক) গোলাম মোস্তফা
খ) কামিনী রায়
গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ঘ) কাজী নজরুল ইসলাম
Note : 'সর্বহারা' কাব্যগ্রন্থটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা। এই কাব্যে তিনি শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের কথা বলেছেন।
ক) অধিকরণে ২য়া
খ) অপাদানে ৭মী
গ) করণে ৭মী
ঘ) অধিকরণে ৬ষ্ঠী
Note : এখানে 'নদী' শব্দটি একটি আধারাধিকরণ বোঝাচ্ছে, অর্থাৎ মাছ কোথায় বড়—নদীতে। তাই এটি অধিকরণ কারক। 'র' বিভক্তি থাকায় এটি ষষ্ঠী বিভক্তি।
ক) পূর্ব পদ
খ) পর পদ
গ) উভয় পদ
ঘ) অন্য পদ
Note : কর্মধারয় সমাসে পর পদটি প্রধান হয়। উভয় পদের অর্থ প্রাধান্য না পেয়ে বিশেষ্য ও বিশেষণের সম্পর্ক বা উপমা-উপমেয়ের সম্পর্ক বোঝায়।
ক) বিপন্ন
খ) আসন্ন
গ) প্রতিপন্ন
ঘ) বিষণ্ন
Note : 'প্রসন্ন' শব্দের অর্থ সুখী বা আনন্দিত। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'বিষণ্ন', যার অর্থ দুঃখিত বা মনমরা।
ক) নিঃ + রস
খ) নি + রস
গ) নী + রস
ঘ) নীঃ + রস
Note : 'নীরস' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ হলো 'নিঃ' + 'রস'। এখানে 'ঃ' এর সাথে 'র' যুক্ত হয়ে 'র'-এর লুপ্তি ঘটেছে।
ক) ক্রিয়া
খ) উপসর্গ
গ) বিভক্তি
ঘ) প্রত্যয়
Note : ধাতু বা শব্দের পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠনকারী বর্ণ বা বর্ণ সমষ্টিকে 'প্রত্যয়' বলা হয়। যেমন: চল্ + অ = চল (ক্রিয়া), বাংলা + আই = বাংলাই (বিশেষ্য)।
জব সলুশন