ক্রিয়া বা ধাতুর পরে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে বলে ---
ক) ধাতু প্রত্যয়
খ) শব্দ প্রত্যয়
গ) কৃৎ প্রত্যয়
ঘ) তদ্ধিত প্রত্যয়
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ক্রিয়া বা ধাতুর পরে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষ্য, বিশেষণ বা ক্রিয়া বিশেষ্য পদ তৈরি করে, তাকে 'কৃৎ প্রত্যয়' বলা হয়। যেমন: পড়্ + আ = পড়া।
Related Questions
ক) গনেশ উল্টান
খ) গৌরচন্দ্রিকা
গ) কুপমণ্ডুক
ঘ) টইটুম্বুর
Note : 'গৌরচন্দ্রিকা' বাগধারাটির অর্থ হলো ভূমিকা বা ভনিতা। কোনো কাজের আগে যে অপ্রয়োজনীয় বা অতিরিক্ত কথা বলা হয়, তাকে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
ক) সরল
খ) বিনয়
গ) শান্ত
ঘ) বিনীত
Note : 'ঔদ্ধত্য' শব্দের অর্থ হলো দম্ভ বা স্পর্ধা। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'বিনয়', যার অর্থ নম্রতা বা ভদ্রতা।
ক) আনুষঙ্গিক
খ) আনুসাঙ্গিক
গ) অনুষঙ্গিক
ঘ) আনূষঙ্গিক
Note : 'আনুষঙ্গিক' শব্দটি 'অনুসঙ্গ' থেকে উদ্ভূত। এর সঠিক বানান হলো 'আনুষঙ্গিক', যেখানে 'অ' এবং 'উ' যুক্ত হয়ে 'আনুষ' হয়েছে।
ক) লাজুক
খ) ভীতু
গ) স্পষ্টভাষী
ঘ) বাচাল
Note : 'মুখচোরা' বাগধারাটির অর্থ হলো যে সহজে কথা বলতে পারে না, লাজুক প্রকৃতির। এরকম ব্যক্তি জনসমক্ষে কথা বলতে ভয় পায়।
ক) আবুল কালাম শামসুদ্দীন
খ) কাজী আবদুল ওদুদ
গ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ঘ) ইব্রাহীম খাঁ
Note : 'শিকওয়াহ ও জওয়াব-ই-শিকওয়াহ' (অভিযোগ ও অভিযোগের জবাব) গ্রন্থটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ অনুবাদ করেছেন। এটি আসলে ইকবাল রচিত একটি বিখ্যাত উর্দু কবিতা।
ক) গোলাম মোস্তফা
খ) কামিনী রায়
গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ঘ) কাজী নজরুল ইসলাম
Note : 'সর্বহারা' কাব্যগ্রন্থটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা। এই কাব্যে তিনি শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের কথা বলেছেন।
জব সলুশন