'সকলের তরে সকলে আমরা/প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।'- কোন কবিতার অংশ?
এই চরণটি কামিনী রায়ের 'পরার্থে' কবিতার অংশ যা জনহিতকর কাজের গুরুত্ব তুলে ধরে।
Related Questions
প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত এই উপন্যাসটি প্রথমে 'মাসিক পত্রিকা'য় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়।
পর্তুগিজ পাদ্রী মনোয়েল দ্যা আসসুম্পসাঁও বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ ও অভিধান রচনার জন্য প্রায় ৯-১০ বছর ধরে শব্দ সংগ্রহ করেন। এটি বাংলা ভাষার অভিধান রচনার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
সঠিক উত্তর হলোঃ যে স্বরধ্বনি উচ্চারণে ঠোঁট বেশি খোলে।
বিবৃত স্বরধ্বনি হলো সেইসব স্বরধ্বনি, যেগুলোর উচ্চারণের সময় মুখগহ্বর সবচেয়ে বেশি খোলা থাকে এবং ঠোঁট গোলাকার না হয়ে প্রসারিত থাকে। অর্থাৎ, ঠোঁট অনেকটা স্বাভাবিক বা চ্যাপ্টা অবস্থায় থাকে। যেমন, 'আ' (a), 'অ্যা' (æ) এই স্বরধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় মুখ এবং ঠোঁট সবচেয়ে বেশি খোলা থাকে। তাই, এদেরকে বিবৃত স্বরধ্বনি বলা হয়।
বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের আদি কবি বড়ু চণ্ডীদাস কাব্য রচনা করেন। ১৯০৯ সালে 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাকিল্যা গ্রামের দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় নামক এক ব্রাহ্মণের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' উদ্ধার করেন এবং ১৯১৬ সালে 'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন। কাব্যটি মোট ১৩টি খণ্ডে বিভক্ত। যথা:
১. জন্ম খণ্ড,
২. তাম্বুল খণ্ড,
৩. দান খণ্ড,
৪. নৌকা খণ্ড,
৫. ভার খণ্ড,
৬. ছত্র খণ্ড,
৭. বৃন্দাবন খণ্ড,
৮. কালিয়দমন খণ্ড,
৯. যমুনা খণ্ড,
১০. হার খণ্ড,
১১. বাণ খণ্ড,
১২. বংশী খণ্ড,
১৩, বিরহ খণ্ড।
চর্যাপদের এই চরণটিতে 'ভণই' শব্দের অর্থ হলো 'বলে' বা 'বলা'। এটি প্রাচীন বাংলা ভাষার একটি রূপ।
উল্লিখিত উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কপালকুণ্ডলা' উপন্যাসের একটি পরিচিত সংলাপ।
জব সলুশন