'কৌশলে কার্যোদ্ধার' --- কোনটির অর্থ?
গাছে তুলে মই কাড়া - সাহায্যের আশা দিয়ে সাহায্য না করা,
এক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো - একই স্বভাবের,
ধরি মাছ না ছুঁই পানি - কৌশলে কার্যোদ্ধার,
আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া - দুর্লভ বস্তু হাতে পাওয়া।
Related Questions
যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা শব্দ (প্রাতিপদিক) এর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে। যেমন দুল + অনা = দোলনা। এখানে মূল ক্রিয়াপদ 'দুল এবং প্রত্যয় হল 'অনা'।
”মরি মরি! কি সুন্দর প্রভাতের রূপ” - বাক্যে ”মরি মরি” অনন্বয়ী শ্রেণির অব্যয়।
যে সকল অব্যয় বাক্যের অন্যদের সঙ্গে কোন সম্বন্ধ না রেখে স্বাধীনভাবে নানাবিধ ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়, তাদের অনন্বয়ী অব্যয় বলে। যেমন উচ্ছাস প্রকাশের মরি মরি! কি সুন্দর প্রভাতের রূপ! এছাড়া স্বীকৃতি বা অস্বীকৃতি সম্মতি প্রকাশে, যন্ত্রণা প্রকাশে, সম্ভাবনায় ইত্যাদিতে অনন্বয়ী অব্যয় হয়।
বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সংখ্যার ধারণা প্রকাশের উপায় বা সংখ্যাত্মক প্রকাশের উপায়কে বচন বলে। অর্থাৎ বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ যে ব্যক্তি, বস্ত্ত বা প্রাণীর প্রতিনিধিত্ব করছে বা বোঝাচ্ছে, সেই ব্যক্তি, বস্ত্ত বা প্রাণীর সংখ্যা, অর্থাৎ সেটি একসংখ্যক না একাধিক সংখ্যাক, তা বোঝানোর পদ্ধতিকেই বচন বলে।
কৃৎ-প্রত্যয়ের (ধাতুর পর) ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে ‘আও’ প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। যেমন:
- √পাকডু+আও =পাকড়াও;
- √চড়+আও – চড়াও;
- √বাঁচ+আও=বাঁচাও ৷
কৃৎ-প্রত্যয়ের ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য শব্দ গঠনে ‘আই’ প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। যেমন:
- √সিল+আই = সিলাই;
= √যাচ+আই = যাচাই;
- √চড়ু+আই চড়াই।
উল্লেখ্য, তদ্ধিত প্রত্যয়ের ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে আই-প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। যেমন:
- বড়+আই = বড়াই;
- পুষ্ট+আই = পোষ্টাই ।
তুই বাড়ি যা ( আদেশ), ক্ষমা করা ঘোর অপরাধ (প্রার্থনা), কাল একবার এসো (অনুরোধ),দূর হও (ভর্ৎসনা)।
বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলে।
প্রাতিপদিক : বিভক্তিহীন নামশব্দকে প্রাতিপদিক বলে। নামপদের যেই অংশকে আর বিশ্লেষণ করা বা ভাঙা যায় না, তাকেই প্রাতিপদিক বলে।
যেমন - ‘হাত’। এই নাম শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি নেই। এর সঙ্গে ‘আ’ যুক্ত করে নতুন শব্দ ‘হাতা’ তৈরি করা যেতে পারে। এটিও একটি নাম শব্দ। আবার এর সঙ্গে ‘অল’ শব্দাংশ যুক্ত করে ‘হাতল’ আরেকটি নামশব্দ তৈরি করা যেতে পারে।
জব সলুশন