বাংলাদেশে বিদ্যুৎ শক্তির উৎস ----
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য জীবাশ্ম জ্বালানি যেমন প্রাকৃতিক গ্যাস (সবচেয়ে বড় উৎস), কয়লা, এবং খনিজ তেল ব্যবহৃত হয়। এর বাইরে পানি (জলবিদ্যুৎ), সূর্যালোক (সৌরবিদ্যুৎ), এবং আমদানি করা বিদ্যুৎও কাজে লাগানো হয়।
Related Questions
দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়ায় কয়লা খনি (Coal Mine) প্রকল্প কাজ চলছে। ১৯৮৫ সালে আবিষ্কৃত বাংলাদেশের এই একমাত্র বাস্তবায়িত কয়লা খনিটি পার্বতীপুর উপজেলায় অবস্থিত। এই খনি থেকে উন্নতমানের বিটুমিনাস কয়লা উত্তোলন করা হয়, যা মূলত পাশের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত হয়।
খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস্ লিঃ খুলনার খালিশপুরে অবস্থিত দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা। খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস্ লিঃ এর স্থাপনা তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি'র) সময়ে ১৯৬৫ সালে। কারখানাটি কানাডীয় সরকারি সাহায্য সংস্থার সহায়তায় স্থাপিত হয়। এর কাঁচামালা হিসেবে সুন্দরীকাঠ ব্যবহৃত হতো।
জাতিসংঘের সিডও (CEDAW) কমিটির চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী বাঙালি নারী হলেন সালমা খান। তিনি ১৯৯৭ ও ১৯৯৮ সালে পরপর দুই মেয়াদে এই আন্তর্জাতিক কমিটির চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করেন এবং তিনিই এশিয়ার প্রথম ব্যক্তি যিনি এই পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন।
২০১৭-১৮ অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী, তৈরি পোশাক (আরএমজি) থেকে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৩.৪৯% আসে।
জনাব এফ আর খান বাংলাদেশের জন্য গৌরব। তিনি ছিলেন স্থপতি।
ফজলুর রহমান খান (১৯২৯ - ১৯৮২) বিশ্বখ্যাত বাংলাদেশী স্থপতি ও পুরকৌশলী। তিনি পৃথিবীর অন্যতম উচ্চ ভবন শিকাগোর সিয়ার্স টাওয়ার (বর্তমানে উইওলস টাওয়ার) - এর নকশা প্রণয়ন করেন। তাকে বিংশ শতকের শ্রেষ্ঠ প্রকৌশলী বলা হয়।
বর্তমানে সরকার ৩টি স্তরে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠার চিন্তা ভাবনা করছেন।
বাংলাদেশে তিন স্তরের স্থানীয় সরকার বিদ্যমান। বাংলাদেশ আটটি বিভাগে বিভক্ত। প্রতিটি বিভাগ আবার জেলা বিভক্ত, বর্তমানে বাংলাদেশে ৬৪টি জেলা রয়েছে। জেলাগুলো কতগুলো উপজেলা অথবা থানায় বিভক্ত।
জব সলুশন