‘এইসব মিলিয়ে তৈরি হয় চিনি বা শর্করা’- এখানে ‘এইসব মিলিয়ে’ বর্গ হলো-
ক) উদ্দেশ্য
খ) বিধেয়
গ) উদ্দেশ্যের প্রসারক
ঘ) বিধেয়ের প্রসারক
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
এখানে তৈরি হয় হলো ক্রিয়া যা বিধেয় অংশের মূল। কীভাবে তৈরি হয় তা বোঝাতে এসব মিলিয়ে অংশটি ব্যবহৃত হয়েছে যা ক্রিয়ার অর্থকে প্রসারিত করছে তাই এটি বিধেয়ের প্রসারক।
Related Questions
ক) প্রসাদগুণ মাধুর্যগুণ
খ) উপমা অলংকার
গ) উদ্দেশ্য বিধেয়
ঘ) সাধু চলিত
Note : বাক্যের গঠনগত দিক থেকে একে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয় যার একটি হলো উদ্দেশ্য বা Subject এবং অন্যটি হলো বিধেয় বা Predicate।
ক) ২টি
খ) ৩টি
গ) ৪টি
ঘ) ৫টি
Note : প্রতিটি সার্থক বাক্যের প্রধানত দুটি অংশ থাকে যথা উদ্দেশ্য এবং বিধেয়। বাক্যে যার সম্পর্কে কিছু বলা হয় সে উদ্দেশ্য এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা বলা হয় তা বিধেয়।
ক) ধ্বনি শব্দ বাক্য
খ) বিশেষ্য সর্বনাম বিশেষণ
গ) সমাস উপসর্গ প্রত্যয়
ঘ) কর্তা কর্ম ক্রিয়া
Note : সনাতন ব্যাকরণ ও পদবিন্যাস রীতি অনুযায়ী একটি সম্পূর্ণ বাক্যের গঠন বিশ্লেষণ করলে কর্তা কর্ম ও ক্রিয়া এই তিনটি প্রধান উপাদান বা অংশ পাওয়া যায়।
ক) বাক্য
খ) বাক্যাংশ
গ) উদ্দেশ্য
ঘ) বিধেয়
Note : মানুষের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম হলো ভাষা আর ভাষার মূল উপাদান হলো বাক্য যা এক বা একাধিক শব্দ দিয়ে গঠিত হয়ে পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে।
ক) সাধিত ধাতু
খ) প্রযোজক ধাতু
গ) সংস্কৃতমূলক ধাতু
ঘ) মৌলিক ধাতু
Note : সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসারে প্রযোজক ধাতুকে 'ণিজন্ত ধাতু' বলা হয়। অর্থাৎ অন্যের দ্বারা কাজটি করানোর অর্থে যে ধাতু ব্যবহৃত হয়।
ক) প্রযোজক ধাতু
খ) ভাব বাচ্যের ধাতু
গ) সংযোগমূলক ধাতু
ঘ) নাম ধাতু
Note : এখানে 'হারায়' ক্রিয়াটি সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হলেও ব্যাকরণগত শ্রেণিবিভাগে এটি প্রযোজক বা ণিজন্ত ধাতুর কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত।
জব সলুশন