বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসই হলো-
ক) মাধুর্য
খ) আসত্তি
গ) আকাঙ্ক্ষা
ঘ) যোগ্যতা
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
মনোভাব প্রকাশের জন্য বাক্যে শব্দগুলো এমনভাবে সাজাতে হয় যাতে অর্থ বুঝতে কোনো অসুবিধা না হয়। এই সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসকেই আসত্তি বলা হয়।
Related Questions
ক) আকাঙ্কা
খ) আকাঙ্খা
গ) আকাংখা
ঘ) আকাঙ্ক্ষা
Note : ব্যাকরণিক পরিভাষা হিসেবে শুদ্ধ বানানটি হলো আকাঙ্ক্ষা (ঙ+ক্ষ)। অন্য বানানগুলো অশুদ্ধ।
ক) অর্থসংগতি
খ) অন্যপদের আকাঙ্ক্ষা না থাকা
গ) অপরিবর্তনযোগ্য পদক্রম
ঘ) পদগত অন্বয়
ক) আসত্তি
খ) আকাঙ্ক্ষা
গ) যোগ্যতা
ঘ) আসক্তি
Note : বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে আগ্রহ তাকে আকাঙ্ক্ষা বলে। যেমন আমি ভাত... বললে আকাঙ্ক্ষা থেকে যায়।
ক) আকাঙ্ক্ষা আসত্তি ও বিধেয়
খ) আকাঙ্ক্ষা আসত্তি ও যোগ্যতা
গ) যোগ্যতা উদ্দেশ্য ও বিধেয়
ঘ) কোনোটিই নয়
Note : ব্যাকরণ অনুযায়ী বাক্যের তিনটি প্রধান গুণ হলো আকাঙ্ক্ষা বা শোনার ইচ্ছা আসত্তি বা সুশৃঙ্খল পদবিন্যাস এবং যোগ্যতা বা অর্থগত ও ভাবগত মিল।
ক) 2
খ) 3
গ) 4
ঘ) 5
Note : একটি সার্থক বা আদর্শ বাক্যের তিনটি গুণ থাকা অপরিহার্য। এগুলো হলো আকাঙ্ক্ষা আসত্তি এবং যোগ্যতা।
ক) উদ্দেশ্যের প্রসারক
খ) বিধেয়ের প্রসারক
গ) বিধেয়ের পূরক
ঘ) বিধেয়ের ক্রিয়া
Note : বাক্যে ক্রিয়া সম্পাদনের অবলম্বনকে কর্ম বা পূরক বলা হয়। এখানে শোধ করতে পারব না ক্রিয়াটির কর্ম হিসেবে ঋণ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে তাই এটি বিধেয়ের পূরক।
জব সলুশন