বাংলার প্রথম মুসলিম বিজেতা কে?
- ভারতবর্ষে ইসলামের আবির্ভাব ঘটে মুহম্মদ বিন কাসিমের সিন্ধু বিজয়ের মধ্য দিয়ে।
- তবে মুসলিম শাসনের সূচনা করেন গজনীর সুলতান মুহম্মদ ঘুরি তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে (১১৯২ খ্রি.) পৃথ্বিরাজ চৌহানকে পরাজিত করার মধ্য দিয়ে।
- আর বাংলার প্রথম মুসলিম বিজেতা তুর্কি বীর বখতিয়ার খলজী ।
Related Questions
'গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড' ষোড়শ শতাব্দীতে সম্রাট শেরশাহ কর্তৃক নির্মিত বাংলার সোনারগাঁও থেকে পাঞ্জাব পর্যন্ত বিস্তৃত সুদীর্ঘ সড়ক। ব্রিটিশ আমলে শূন্য চলাচলের সুবিধা এবং ডাক বিভাগের উন্নতির উদ্দেশ্য সড়কের সংস্কার করে কলকাতা থেকে পেশোয়ার পর্যন্ত সম্প্রসারিত করা হয়। এ সময় এই সড়কটির নাম দেওয়া হয় 'গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড'।
ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে বাংলায় প্রথম আসে পর্তুগিজরা। ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে তারা চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে শুল্কঘাটি নির্মাণের অনুমতি লাভ করে।
বাংলায় ফরাসীরা আসে ১৬৭৪ সালে।
ওলন্দাজদের আগমন ঘটে ১৬৫৩ সালে।
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তারিখে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমুদ্দীন।
খাজা নাজিমুদ্দীন; ১৯ জুলাই ১৮৯৪ – ২২ অক্টোবর ১৯৬৪) ছিলেন একজন বাঙালি রাজনীতিবিদ। তিনি ঢাকার নবাব পরিবারের সদস্য ছিলেন। নিখিল ভারত মুসলিম লীগের সদস্য হিসেবে নাজিমুদ্দিন দুইবার বাংলার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর মুহাম্মদ আলি জিন্নাহর মৃত্যু পরবর্তীতে ১৯৪৮ সালে তিনি পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল হন।
১৯৫১ সালে প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলি খানের মৃত্যুর পর তিনি পাকিস্তানের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী হন। তিনি রক্ষণশীল গড়নের ছিলেন এবং তাকে অজনপ্রিয় বিবেচনা করা হয়।
বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণের মান (g) বৃদ্ধির সাথে বৃদ্ধি পায়। g এরমান পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্বের উপর নির্ভর করে। মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ বিষুবীয় অঞ্চলের ব্যাসার্ধ অপেক্ষা কম। বিষুবরেখা হতে মেরুর দিকে যত বেশি যাওয়া যায় ব্যাসার্ধ তত কমতে থাকে এবং g এরমান তত বাড়তে থাকে। মেরু অঞ্চলে ব্যাসার্ধ সবচেয়ে কম হওয়ায় g এর মান সবচেয়ে বেশি হয়। অর্থাৎ ওজন সবচেয়ে বেশি হয়।
আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার। অপরের দিকে সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিমি। এ হিসাবে সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৫০০ সেকেন্ড বা ৮.৩২ মিনিট।
মেঘনা বাংলাদেশের বৃহত্তম তথা দীর্ঘতম, গভীরতম নদী। সুরমা নদী আজমিরীগঞ্জের ভাটি থেকে কোন কোন ক্ষেত্রে মেঘনা নামে পরিচিত। সুরমা মেঘনা নদী প্রবাহ মদনা নামক স্থানের পড়ে প্রায় ২৬ কিমি ভাটিতে কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম এর কাছে ধলেশ্বরীর নাম ধারণ করে। নদীর নামকরণ মেঘনা নামের সঠিক অবস্থান নির্ণয়ের জন্য একটি কিঞ্চিৎ বিভ্রান্তকর। এর অসুবিধা দূর করার জন্য আজমিরীগঞ্জের ভাটিতে প্রবাহ সেখানে ধনু এবং ঘোড়া ওরা নদীর মিলিত স্রোত এর সঙ্গে মিশেছে। সে পর্যন্ত নদীটির নাম সুরমা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এ স্থানটি কুলিয়ারচরের পূর্বদিকে অবস্থিত। এই সঙ্গমস্থল এরপর থেকেই নদীটি মেঘনা নামে পরিচিত।
জব সলুশন