কম্পিউটারের ডিজিটাল পদ্ধতির অভ্যন্তরে সাধারণত যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তাকে বলা হয় ---

ক) দশমিক
খ) বাইনারী
গ) হেক্সাডেসিমেল
ঘ) অক্টাল
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ এর জন্য সাধারণত বাইনারি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। বাইনারি পদ্ধতিতে কোন বড় সংখ্যা লেখার জন্য অক্টাল হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। কম্পিউটারে দশমিক পদ্ধতির ব্যবহার হয় না।

Related Questions

ক) বখতিয়ার খলজী
খ) ইলিয়াস শাহ
গ) হুসেন শাহ
ঘ) শিরান খলজী
Note :

- ভারতবর্ষে ইসলামের আবির্ভাব ঘটে মুহম্মদ বিন কাসিমের সিন্ধু বিজয়ের মধ্য দিয়ে।
- তবে মুসলিম শাসনের সূচনা করেন গজনীর সুলতান মুহম্মদ ঘুরি তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে (১১৯২ খ্রি.) পৃথ্বিরাজ চৌহানকে পরাজিত করার মধ্য দিয়ে।
- আর বাংলার প্রথম মুসলিম বিজেতা তুর্কি বীর বখতিয়ার খলজী ।

ক) বাবর
খ) আকবর
গ) শাহজাহান
ঘ) শেরশাহ
Note :

'গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড' ষোড়শ শতাব্দীতে সম্রাট শেরশাহ কর্তৃক নির্মিত বাংলার সোনারগাঁও থেকে পাঞ্জাব পর্যন্ত বিস্তৃত সুদীর্ঘ সড়ক। ব্রিটিশ আমলে শূন্য চলাচলের সুবিধা এবং ডাক বিভাগের উন্নতির উদ্দেশ্য সড়কের সংস্কার করে কলকাতা থেকে পেশোয়ার পর্যন্ত সম্প্রসারিত করা হয়। এ সময় এই সড়কটির নাম দেওয়া হয় 'গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড'।

ক) ইংরেজরা
খ) ফরাসিরা
গ) পর্তুগিজরা
ঘ) ওলন্দাজরা
Note :

ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে বাংলায় প্রথম আসে পর্তুগিজরা। ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে তারা চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে শুল্কঘাটি নির্মাণের অনুমতি লাভ করে।

বাংলায় ফরাসীরা আসে ১৬৭৪ সালে।

ওলন্দাজদের আগমন ঘটে ১৬৫৩ সালে।

ক) নূরুল আমীন
খ) খাজা নাজিমউদ্দীন
গ) মোহাম্মদ আলী
ঘ) লিয়াকত আলী খান
Note :

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তারিখে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমুদ্দীন।

খাজা নাজিমুদ্দীন; ১৯ জুলাই ১৮৯৪ – ২২ অক্টোবর ১৯৬৪) ছিলেন একজন বাঙালি রাজনীতিবিদ। তিনি ঢাকার নবাব পরিবারের সদস্য ছিলেন। নিখিল ভারত মুসলিম লীগের সদস্য হিসেবে নাজিমুদ্দিন দুইবার বাংলার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর মুহাম্মদ আলি জিন্নাহর মৃত্যু পরবর্তীতে ১৯৪৮ সালে তিনি পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল হন।

১৯৫১ সালে প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলি খানের মৃত্যুর পর তিনি পাকিস্তানের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী হন। তিনি রক্ষণশীল গড়নের ছিলেন এবং তাকে অজনপ্রিয় বিবেচনা করা হয়।

ক) মেরু অঞ্চলে
খ) সমুদ্র পৃষ্ঠে
গ) ভূ-পৃষ্ঠের অভ্যন্তরে
ঘ) মহাশূন্যে
Note :

বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণের মান (g) বৃদ্ধির সাথে বৃদ্ধি পায়। g এরমান পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্বের উপর নির্ভর করে। মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ বিষুবীয় অঞ্চলের ব্যাসার্ধ অপেক্ষা কম। বিষুবরেখা হতে মেরুর দিকে যত বেশি যাওয়া যায় ব্যাসার্ধ তত কমতে থাকে এবং g এরমান তত বাড়তে থাকে। মেরু অঞ্চলে ব্যাসার্ধ সবচেয়ে কম হওয়ায় g এর মান সবচেয়ে বেশি হয়। অর্থাৎ ওজন সবচেয়ে বেশি হয়।

ক) ৯.১২ মিনিট
খ) ৮.৩২ মিনিট
গ) ৭.৯৬ মিনিট
ঘ) ১০.৫৬ মিনিট
Note :

আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার। অপরের দিকে সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিমি। এ হিসাবে সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৫০০ সেকেন্ড বা ৮.৩২ মিনিট।

জব সলুশন

সমন্বিত ৬ ব্যাংক - অফিসার (ক্যাশ) (31-01-2026)

৫০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট (30-01-2026)

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ (পূর্বাঞ্চল) - পোস্টাল অপারেটর (23-01-2026)

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহায়ক (17-01-2025)

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন - টেকনিশিয়ান হেলপার (17-01-2026)

প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-2026 (09-01-2026)

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন