মীর মশাররফ হোসেনের আত্মজীবনীমূলক রচনা-
ক) বিষাদ-সিন্ধু
খ) জমিদার দর্পণ
গ) রত্নবতী
ঘ) গাজী মিঁয়ার বস্তানী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
গাজী মিঁয়ার বস্তানী (১৮৯৯) মীর মশাররফ হোসেনের একটি ব্যঙ্গাত্মক আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। এতে তৎকালীন সমাজের নানা অসঙ্গতি ফুটে উঠেছে।
Related Questions
ক) এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য
খ) এটি প্রামাণ্য ইতিহাস সম্বলিত মহাকাব্য
গ) এটি ঐতিহাসিক ঘটনার আবেগ-নির্ভর মর্মস্পর্শী বর্ণনা
ঘ) এটি মুসলমানদের লেখা প্রথম কবিতা সংকলন
Note : লেখক এই উপন্যাসে ঐতিহাসিক তথ্যের চেয়ে শোকের আবেগ ও ভাষার লালিত্যকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। ফলে এটি একটি মর্মস্পর্শী গদ্য মহাকাব্য হিসেবে পরিচিত।
ক) কারবালার যুদ্ধ
খ) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ
গ) পানিপথের যুদ্ধ
ঘ) পলাশীর যুদ্ধ
Note : ইসলামের ইতিহাসের অন্যতম বিয়োগান্তক ঘটনা কারবালার যুদ্ধকে কেন্দ্র করে এই বিশাল মহাকাব্যিক উপন্যাসটি রচিত হয়েছে।
ক) গবেষণা গ্রন্থ
খ) ইতিহাস আশ্রয়ী উপন্যাস
গ) ধর্মবিষয়ক প্রবন্ধ
ঘ) আত্মজীবনী
Note : যদিও এটি কারবালার ইতিহাস নিয়ে রচিত কিন্তু লেখক এতে কল্পনার ব্যাপক সংমিশ্রণ ঘটিয়েছেন। তাই একে ইতিহাসের পরিবর্তে ইতিহাস আশ্রয়ী বা রোমান্টিক উপন্যাস বলা হয়।
ক) প্রাচীন যুগের
খ) আধুনিক যুগের
গ) মধ্যযুগের
ঘ) অন্তমধ্যযুগের
Note : মীর মশাররফ হোসেন ঊনবিংশ শতাব্দীর লেখক। ফলে তার সকল সৃষ্টি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত। বিষাদ-সিন্ধু ১৮৮৫ থেকে ১৮৯১ সালের মধ্যে প্রকাশিত আধুনিক উপন্যাস।
ক) এজিদ
খ) মারওয়ান
গ) ইমাম হোসেন
ঘ) ইব্রাহিম কার্দি
Note : এজিদ- মারওয়ান এবং ইমাম হোসেন বিষাদ-সিন্ধুর প্রধান ঐতিহাসিক চরিত্র। তবে ইব্রাহিম কার্দি মীর মশাররফ হোসেনের অন্য কোনো রচনার বা ইতিহাসের চরিত্র হলেও বিষাদ-সিন্ধুর অন্তর্ভুক্ত নয়।
ক) ইমাম হোসেন
খ) ইমাম হাসান
গ) এজিদ
ঘ) সীমার
Note : এর প্রধান কেন্দ্রীয় চরিত্র বা নায়ক হলেন হযরত ইমাম হোসেন (রা.)।
জব সলুশন