'গাছের পাতার সেই বেদনায় বুনো পথে যেতো ধারে ।'- চরণটি নান্দনিক বিবেচনা হয়ে উঠেছে-
ক) উপমা
খ) রূপক
গ) চিত্রকল্প
ঘ) রূপকাভাস
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
এখানে বেদনার গভীরতাকে প্রকৃতির মাধ্যমে রূপক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
Related Questions
ক) মোজাম্মেল হক
খ) গোলাম মোস্তফা
গ) সুফিয়া কামাল
ঘ) জসীমউদ্দীন
Note : কবর কবিতার অন্যতম আবেগী পঙ্ক্তি যা জসীমউদ্দীনের শ্রেষ্ঠ পল্লী কাব্যের নিদর্শন।
বাপের বাড়িতে যাইবার কালে কহিত ধরিয়া পা আমারে দেখিতে যাইও কিন্তু উজান-তলীর গাঁ। পঙ্ক্তিটির রচয়িতা কে?
ক) জসীমউদ্দীন
খ) আবদুল কাদির
গ) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Note : জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতার দাদুর স্ত্রীর বাপের বাড়িতে যাওয়ার আকুলতার বর্ণনা।
ক) এখানে ওখানে ঘুরিয়া ফিরিতে ভেবে হইতাম সারা
খ) পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক।
গ) দাদি যে তোমার কত খুশি হত দেখিতিস যদি চেয়ে।
ঘ) আমারে ছাড়িয়া এত ব্যথা যার কেমন করিয়া হয়
Note : কবিতার মূল গঠন অনুযায়ী 'তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে' এর পরবর্তী চরণটি হলো 'আমারে ছাড়িয়া এত ব্যথা যার কেমন করিয়া হয়'।
ক) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
খ) আবদুল কাদির
গ) জসীমউদ্দীন
ঘ) সুফিয়া কামাল
Note : জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতার একটি অংশ যেখানে দাদু তাঁর প্রিয়জনদের কবরস্থ করার কথা বলছেন।
ক) কবি জসীমউদ্দীন
খ) কাজী নজরুল ইসলাম
গ) আবদুল কাদির
ঘ) সুফিয়া কামাল
Note : জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। এখানে কবির শৈল্পিক বর্ণনা ও পল্লীজীবনের আবেগ ফুটে উঠেছে।
ক) আসমানী
খ) দাওয়াত
গ) কবর
ঘ) পল্লীস্মৃতি
Note : জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত 'কবর' কবিতার সবচেয়ে পরিচিত শুরুর চরণগুলোর একটি। এটি দাদির কবরের স্মৃতিচারণ।
জব সলুশন