'মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয় আত্মিকও।' বাক্যটি কোন রচনার?
ক) বিড়াল
খ) আহ্বান
গ) জীবন ও বৃক্ষ
ঘ) আমার পথ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
এই উক্তিটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের মূল সারমর্ম। লেখক মানুষের জৈবিক বৃদ্ধি বা শারীরিক বড় হওয়ার চেয়ে চারিত্রিক ও আত্মিক উন্নতিকেই প্রকৃত মনুষ্যত্ব বলে মনে করেন।
Related Questions
ক) নদী
খ) কবি
গ) বৃক্ষ
ঘ) পর্বত
Note : এটি একটি শূন্যস্থান পূরণমূলক প্রশ্ন। প্রবন্ধের মূল কথা হলো বৃক্ষ তার নীরব অস্তিত্বের মাধ্যমে আমাদের জীবনের লক্ষ্য এবং সার্থকতা অর্জনের শিক্ষা দেয়।
ক) আমার পথ
খ) বিড়াল
গ) জীবন ও বৃক্ষ
ঘ) আহ্বান
Note : বৃক্ষ যখন ফুল ফোটায় এবং ফল দান করে তখন সে নিজের জীবনের নির্যাস ত্যাগ করে। এই সার্থকতার কাজটিকে লেখক কোনো সাধারণ প্রাপ্তি না বলে মহান আত্মবিসর্জন হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছেন।
ক) জসীমউদ্দীনকে
খ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে
গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে
ঘ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে
Note : মোতাহের হোসেন চৌধুরী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে তপোবন-প্রেমিক বলে আখ্যায়িত করেছেন কারণ রবীন্দ্রসাহিত্যে প্রকৃতি এবং তপোবন সংস্কৃতির প্রতি গভীর অনুরাগ ও আধ্যাত্মিক সংযোগ লক্ষ্য করা যায়।
ক) বৃক্ষের
খ) আত্মার
গ) সংস্কৃতির
ঘ) নদীর গতির
Note : প্রবন্ধে লেখক উল্লেখ করেছেন যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মানুষের প্রাণময়তাকে নদীর গতির সাথে তুলনা করেছেন কিন্তু মোতাহের হোসেন চৌধুরী নিজে বৃক্ষকে স্থিতধী ও সার্থকতা হিসেবে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।
ক) নদীকে
খ) আত্মাকে
গ) ধর্মকে
ঘ) বৃক্ষকে
Note : লেখক বৃক্ষকে মনুষ্যত্বের প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেছেন কারণ বৃক্ষ যেমন মাটির গভীর থেকে রস সংগ্রহ করে আকাশে মাথা উঁচু করে দাঁড়ায় এবং ফল দান করে মানুষও তেমনি জ্ঞানের মাধ্যমে বিকশিত হয়ে মহত্ত্ব অর্জন করে।
ক) সৌন্দর্য উপলব্ধি
খ) লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অনুধাবন
গ) বিকাশ অনুধাবন
ঘ) তাৎপর্য উপলব্ধি
Note : মোতাহের হোসেন চৌধুরী বৃক্ষকে জীবনের আদর্শ হিসেবে তুলে ধরেছেন। বৃক্ষের শান্ত ও নীরবে বেড়ে ওঠা এবং ফল দান মানুষের জীবনের গভীর তাৎপর্য বা অন্তর্নিহিত অর্থ বুঝতে সহায়তা করে।
জব সলুশন