কেঁচোর রক্তে হিমোগ্লোবিন থাকে -

ক) শ্বেতকণিকায়
খ) লোহিত কণিকায়
গ) রক্তরসে
ঘ) কোনোটাতেই না
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
মেরুদণ্ডী প্রাণীদের হিমোগ্লোবিন লোহিত কণিকায় থাকলেও কেঁচোর মতো কিছু অমেরুদণ্ডী প্রাণীর হিমোগ্লোবিন রক্তরসে বা প্লাজমার সাথে দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে।

Related Questions

ক) লোহিত রক্তকণিকায়
খ) শ্বেত রক্তকণিকায়
গ) অণুচক্রিকায়
ঘ) প্লাজমায়
Note : হিমোগ্লোবিন হলো লোহিত রক্তকণিকার সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত এক ধরণের রঞ্জক পদার্থ। এর কারণেই রক্তের রং লাল দেখায়।
ক) হৃদযন্ত্রে
খ) বৃক্কে
গ) ফুসফুসে
ঘ) প্লীহাতে
Note : প্লীহা বা Spleen-কে রক্তের রিজার্ভার বা ব্লাড ব্যাংক বলা হয়। এখানে অতিরিক্ত লোহিত কণিকা সঞ্চিত থাকে এবং জরুরি প্রয়োজনে রক্তস্রোতে সরবরাহ করা হয়।
ক) অক্সিজেন বহন করা
খ) নাইট্রোজেন বহন করা
গ) কার্বন ডাই অক্সাইড বহন করা
ঘ) কোনোটিই নয়
Note : লোহিত কণিকার প্রধান কাজ হলো ফুসফুস থেকে অক্সিজেন দেহের বিভিন্ন কোষে পৌঁছে দেওয়া। এতে থাকা হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন গঠন করে।
ক) ১০০ দিন
খ) ১২০ দিন
গ) ১৩০ দিন
ঘ) ১৮০ দিন
Note : লোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ুষ্কাল ১২০ দিন বা ৪ মাস। এই সময় পর এগুলো প্লীহায় গিয়ে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় এবং নতুন কণিকা তৈরি হয়।
ক) তরুণাস্থিতে
খ) হরিদ্রা অস্থিমজ্জায়
গ) লোহিত অস্থিমজ্জায়
ঘ) যকৃতে
Note : জন্মের পর লোহিত রক্তকণিকা বা RBC প্রধানত হাড়ের লাল অস্থিমজ্জা বা Red Bone Marrow থেকে তৈরি হয়। ভ্রূণ অবস্থায় এটি যকৃৎ ও প্লীহায় তৈরি হয়।
ক) ৫ প্রকার
খ) ৪ প্রকার
গ) ২ প্রকার
ঘ) ৩ প্রকার
Note : মানুষের রক্তে প্রধানত তিন ধরণের কণিকা থাকে: ১. লোহিত রক্তকণিকা (RBC) ২. শ্বেত রক্তকণিকা (WBC) এবং ৩. অণুচক্রিকা (Platelets)।

জব সলুশন

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ- মেট্রোপলিটন সার্কেল- পোস্টাল অপারেটর/মেইল অপারেটর 2026-05-02

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর — রেকর্ড কিপার 2026-05-02

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন- উপ-সহকারী প্রকৌশলী ২৪-০৪-২০২৬

৮ম এনটিআরসিএ প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ পরীক্ষা — মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৬ষ্ঠ-১০ম) 2026-04-18

ভূমি মন্ত্রণালয় - অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ২০২৬

নেসকো - সাব-স্টেশন সহকারী ২০২৬

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন