রক্ত জমাট বাঁধায় কোন ধাতুর আয়ন সাহায্য করে?
ক) আয়রন
খ) সোডিয়াম
গ) ক্যালসিয়াম
ঘ) ম্যাগনেসিয়াম
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
রক্ত জমাট বাঁধার রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় ক্যালসিয়াম আয়ন (Ca++) একটি গুরুত্বপূর্ণ কো-ফ্যাক্টর বা অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। এটি ছাড়া রক্ত জমাট বাঁধতে পারে না।
Related Questions
ক) অ্যালবুমিন
খ) ফাইব্রিনোজেন
গ) অক্সিহিমোগ্লোবিন
ঘ) হরমোন
Note : ফাইব্রিনোজেন হলো রক্তরসে থাকা এক ধরণের প্রোটিন যা রক্ত জমাট বাঁধার সময় ফাইব্রিন নামক সুতার মতো জালক তৈরি করে রক্ত কণিকাগুলোকে আটকে দেয়।
ক) শ্বেত কণিকা
খ) লোহিত কণিকা
গ) অণুচক্রিকা বা প্লাটেলেটস
ঘ) রক্তরস
Note : অণুচক্রিকা থ্রম্বোপ্লাস্টিন নামক এনজাইম নিঃসরণ করে যা রক্ত জমাট বাঁধার জটিল প্রক্রিয়াটি শুরু করে। তাই কেটে যাওয়া স্থানে এটি অপরিহার্য।
ক) O2 পরিবহন
খ) সংক্রমণ প্রতিরোধ
গ) রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা
ঘ) রক্তের pH এর পরিমাণ নির্ধারণ করা
Note : অণুচক্রিকা বা প্লাটিলেট-এর প্রধান কাজ হলো রক্ততঞ্চন বা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা। কোথাও কেটে গেলে এরা রক্তপড়া বন্ধ করতে সহায়তা করে।
ক) লোহিত কণিকা
খ) শ্বেত কণিকা
গ) শ্বেত ও লোহিত কণিকা
ঘ) কোন কণিকাই নহে
Note : ব্লাড ক্যান্সার বা লিউকেমিয়া হলে অস্থিমজ্জায় প্রচুর পরিমাণে অপরিণত শ্বেত কণিকা তৈরি হয় এবং রক্তে ছড়িয়ে পড়ে ফলে স্বাভাবিক রক্তকণিকাগুলোর কাজ ব্যাহত হয়।
ক) সিনসিটিয়াম
খ) লিউকোনপ্লাস্ট
গ) লিউকেমিয়া
ঘ) লিউকোপেনিয়া
Note : রক্তে শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে ও অনিয়ন্ত্রিতভাবে বেড়ে যাওয়াকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলা হয়। সংখ্যা কমে যাওয়াকে লিউকোপেনিয়া বলে।
ক) শ্বেত কণিকা
খ) লোহিত কণিকা
গ) অণুচক্রিকা
ঘ) প্লাজমা
Note : শ্বেত রক্তকণিকা দেহে প্রবেশকারী ক্ষতিকর রোগজীবাণু ধ্বংস করে এবং দেহকে পাহারা দেয় বলে একে রূপক অর্থে মানবদেহের 'পুলিশ ম্যান' বলা হয়।
জব সলুশন