ব্লাড গ্রুপ আছে -
ক) মানুষ
খ) ইঁদুর
গ) বিড়াল
ঘ) সবগুলো
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
মানুষের মতো অন্যান্য প্রাণীর (যেমন বিড়াল কুকুর ইঁদুর) রক্তেও নির্দিষ্ট অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডি থাকে যা তাদের ব্লাড গ্রুপ নির্ধারণ করে। তাই সবারই ব্লাড গ্রুপ আছে।
Related Questions
ক) ১২ মাস
খ) ৭ মাস
গ) ৩ মাস
ঘ) ৬ মাস
Note : রক্তদানের পর শরীরে লোহিত কণিকা ও আয়রনের ঘাটতি পূরণ হতে কিছুটা সময় লাগে। চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী একজন সুস্থ মানুষ প্রতি ৩ থেকে ৪ মাস অন্তর নিরাপদে রক্ত দিতে পারেন।
ক) হেপারিন
খ) হিস্টামিন
গ) হিমোগ্লোবিন
ঘ) লিম্ফোসাইট
Note : রক্তনালীর ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় রক্ত যাতে জমাট না বাঁধে সেজন্য 'হেপারিন' নামক একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট রক্তে থাকে।
ক) অণুচক্রিকা
খ) হরমোন
গ) ফাইব্রিনোজেন
ঘ) প্রোথ্রম্বিন
Note : রক্ত জমাট বাঁধার জন্য ক্লটিং ফ্যাক্টর যেমন ফাইব্রিনোজেন প্রোথ্রম্বিন এবং অণুচক্রিকা প্রয়োজন। কিন্তু হরমোন এই প্রক্রিয়ায় সরাসরি কোনো ভূমিকা রাখে না।
ক) আয়রন
খ) সোডিয়াম
গ) ক্যালসিয়াম
ঘ) ম্যাগনেসিয়াম
Note : রক্ত জমাট বাঁধার রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় ক্যালসিয়াম আয়ন (Ca++) একটি গুরুত্বপূর্ণ কো-ফ্যাক্টর বা অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। এটি ছাড়া রক্ত জমাট বাঁধতে পারে না।
ক) অ্যালবুমিন
খ) ফাইব্রিনোজেন
গ) অক্সিহিমোগ্লোবিন
ঘ) হরমোন
Note : ফাইব্রিনোজেন হলো রক্তরসে থাকা এক ধরণের প্রোটিন যা রক্ত জমাট বাঁধার সময় ফাইব্রিন নামক সুতার মতো জালক তৈরি করে রক্ত কণিকাগুলোকে আটকে দেয়।
ক) শ্বেত কণিকা
খ) লোহিত কণিকা
গ) অণুচক্রিকা বা প্লাটেলেটস
ঘ) রক্তরস
Note : অণুচক্রিকা থ্রম্বোপ্লাস্টিন নামক এনজাইম নিঃসরণ করে যা রক্ত জমাট বাঁধার জটিল প্রক্রিয়াটি শুরু করে। তাই কেটে যাওয়া স্থানে এটি অপরিহার্য।
জব সলুশন