হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোযা ফরয করা হয়েছে, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর ফরয করা হয়েছিল, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।-এটি কোন সুরার আয়াত?
ক) আলে-ইমরান
খ) মায়েদা
গ) আত-তাওবা
ঘ) আল-বাকারাহ্
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
রোজা ফরজ হওয়ার বিধান সম্বলিত বিখ্যাত আয়াতটি 'হে ইমানদারগণ তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে...' এটি সূরা আল-বাকারার ১৮৩ নং আয়াত।
Related Questions
ক) হিজরতের পূর্বে
খ) ২য় হিজরীতে
গ) ১ম হিজরীতে
ঘ) ৬ষ্ঠ হিজরীতে
Note : হিজরতের দ্বিতীয় বছরে শাবান মাসে উম্মতে মুহাম্মাদীর ওপর রমজানের রোজা ফরজ করা হয়।
ক) রোযা ভেঙ্গে যাবে
খ) রোযার কোন ক্ষতি হবে না
গ) রোযা হবে, তবে কাজা করতে হবে
ঘ) রোযা মাকরূহ হবে
Note : ভুলবশত কিছু খেয়ে ফেললে রোজা নষ্ট হয় না। এটি বান্দার প্রতি আল্লাহর একটি বিশেষ দয়া ও অনুগ্রহ।
ক) আল্লাহর পক্ষ থেকে
খ) ফেরেশতাদের পক্ষ থেকে
গ) নবীদের পক্ষ থেকে
ঘ) পরিবারের পক্ষ থেকে
Note : হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ তাআলা বলেছেন 'রোজা আমারই জন্য এবং আমি নিজেই এর প্রতিদান দেব'।
ক) ইস্তিস্কার নামায
খ) সালাতুত তাসবিহ
গ) জানাযার নামাজ
ঘ) বিতরের নামাজ
Note : জানাযার নামাজে কোনো রুকু বা সিজদাহ নেই; এটি মূলত ৪টি তাকবীরের মাধ্যমে আদায়কৃত একটি বিশেষ দু’আ।
ক) ৪ রাকাত বিশিষ্ট নামাজ
খ) সব নামাজ অর্ধেক
গ) ২ রাকাত বাড়িয়ে ৪ রাকাত
ঘ) কেবল ফজর কম হয়
Note : সফরের সময় ৪ রাকাত বিশিষ্ট ফরজ নামাজগুলো (যোহর, আসর ও এশা) ২ রাকাত করে পড়তে হয় যাকে কসর বলা হয়।
ক) আযান
খ) দু’আ
গ) রুকু করা
ঘ) খুতবা পাঠ
Note : নামাজের ভেতরে ৭টি ফরজ কাজ আছে যার মধ্যে রুকু করা একটি অন্যতম প্রধান রুকন বা স্তম্ভ।
জব সলুশন