রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসের চরিত্র-
ক) নরেন্দ্র-কুন্দনন্দিনী
খ) মহিম-অচলা
গ) মহেন্দ্র-বিনোদিনী
ঘ) রমা-রমেশ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত চোখের বালি উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো হলো মহেন্দ্র এবং বিনোদিনী। এই উপন্যাসে পরকীয়া প্রেম এবং সামাজিক সম্পর্কের টানাপোড়েন চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে নরেন্দ্র ও কুন্দনন্দিনী হলো বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিষবৃক্ষ উপন্যাসের চরিত্র মহিম ও অচলা হলো শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের গৃহদাহ উপন্যাসের চরিত্র এবং রমা ও রমেশ হলো শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পল্লীসমাজ উপন্যাসের চরিত্র। তাই মহেন্দ্র ও বিনোদিনী হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসের চরিত্র।
Related Questions
ক) নিরোধক
খ) তালিকা
গ) পুনর্গঠন
ঘ) অনুঘটক
Note : রসায়ন এবং সাধারণ পরিভাষায় Catalyst বলতে এমন একটি পদার্থ বা প্রভাবককে বোঝায় যা নিজে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অপরিবর্তিত থেকে বিক্রিয়ার গতিকে ত্বরান্বিত বা মন্দীভূত করে। বাংলায় এর সঠিক পারিভাষিক শব্দ হলো অনুঘটক। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে নিরোধক বলতে কোনো কিছু বাধা দানকারীকে বোঝায় তালিকা বলতে ইংরেজিতে List বা Chart বোঝায় এবং পুনর্গঠন বলতে Reconstitution বা Reorganization বোঝায়। সুতরাং Catalyst শব্দের সঠিক পরিভাষা হলো অনুঘটক।
ক) ও তো সে-ই যাকে চেনা যায় না।
খ) ওকে চেনা গেল না।
গ) ওকে চেনা যায় কি?
ঘ) ওকে চেনাই দায়।
Note : অস্তিবাচক বাক্য হলো এমন বাক্য যা ইতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু মূল বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রাখে। ওকে চেনাই যায় না বাক্যটি একটি নেতিবাচক বা নেতিবাচক ভাব প্রকাশ করে। একে অস্তিবাচক করতে হলে অর্থের পরিবর্তন না করে ইতিবাচক শব্দ ব্যবহার করতে হবে। ওকে চেনাই দায় বাক্যটি অর্থগতভাবে প্রকাশ করে যে তাকে চেনা অত্যন্ত কঠিন বা অসম্ভব যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। অন্য অপশনগুলো হয় প্রশ্নের রূপ ধারণ করেছে অথবা সরাসরি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করছে।
ক) দৃশ্যটি কী সুন্দর!
খ) তোমার নাম কি?
গ) এতে দোষ নেই।
ঘ) এতে দোষ আছে।
Note : বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী যদি কোনো প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁ অথবা না দিয়ে দেওয়া সম্ভব হয় তবে সেখানে হ্রস্ব-ইকার দিয়ে কি লিখতে হয়। যেমন তোমার নাম কি প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁ বা না দিয়ে দেওয়া যায় না এর জন্য একটি নির্দিষ্ট নাম বলতে হয়। তাই এই ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে দীর্ঘ-ঈকার দিয়ে কী ব্যবহার করতে হবে অর্থাৎ শুদ্ধ বাক্যটি হবে তোমার নাম কী। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে দৃশ্যটি কী সুন্দর এতে দোষ নেই এবং এতে দোষ আছে বাক্যগুলোর গঠন ও বানান সম্পূর্ণ ব্যাকরণসম্মত ও শুদ্ধ।
ক) অনুপম
খ) অনন্য
গ) উপমারহিত
ঘ) উপমেয়
Note : নিরুপম শব্দের অর্থ হলো যার কোনো উপমা বা তুলনা নেই অর্থাৎ অতুলনীয়। অলঙ্কার শাস্ত্রে যার সাথে তুলনা করা হয় তাকে উপমান বলে এবং যাকে তুলনা করা হয় তাকে উপমেয় বলে। নিরুপম শব্দের সঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে উপমেয় কারণ উপমেয় হলো তুলনার যোগ্য সাধারণ বিষয় বা বস্তু। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে অনুপম এবং অনন্য শব্দ দুটি নিরুপম শব্দের কাছাকাছি সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে যার অর্থ অতুলনীয় এবং উপমারহিত শব্দটিও উপমাহীন অর্থ প্রকাশ করে। তাই উপমেয় হলো নিরুপম শব্দের প্রকৃত বিপরীতার্থক শব্দ।
ক) দশম শ্রেণি
খ) ষোল নানা
গ) এক কেজি
ঘ) সাত বিঘা
Note : বাংলা ব্যাকরণে সংখ্যার ক্রম বা পর্যায় বোঝাতে যে বিশেষণ ব্যবহৃত হয় তাকে ক্রমবাচক বা পূরণবাচক বিশেষণ বলে। দশম শ্রেণি বলতে শ্রেণির একটি নির্দিষ্ট ক্রম বা পর্যায়কে নির্দেশ করা হয়েছে তাই এটি একটি ক্রমবাচক বিশেষণ। অন্যদিকে এক কেজি এবং সাত বিঘা হলো পরিমাণবাচক বা পরিমাপবাচক বিশেষণ এবং ষোল আনা মূলত পূর্ণতা অর্থে ব্যবহৃত একটি সংখ্যাবাচক বিশেষণ। অতএব দশম শ্রেণি উদাহরণটিতে ক্রমবাচক বিশেষণের যথাযথ প্রয়োগ ঘটেছে।
ক) মৌনতা
খ) অধাতু
গ) অধিবেশন
ঘ) অতীত
Note : অতীত শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে একটি বিশেষণ পদ কারণ এটি কোনো সময় বা অবস্থাকে নির্দেশ করে যেমন অতীত ঘটনা বা অতীত কাল। অন্যদিকে মৌনতা হলো মৌন ভাব যা একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ। অধাতু বলতে এমন পদার্থকে বোঝায় যা ধাতু নয় অর্থাৎ এটি একটি নামবাচক বিশেষ্য। অধিবেশন বলতে কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠক বা সভাকে বোঝায় যা একটি ক্রিয়াবাচক বা নামবাচক বিশেষ্য পদ। সুতরাং অতীত শব্দটি বিশেষ্য নয় এটি একটি বিশেষণ পদ।
জব সলুশন