সাঁওতাল বিদ্রোহের পরিপ্রেক্ষিতে রচিত উপন্যাস-
ক) আরণ্যক
খ) মহিষকুঁড়ার উপকথা
গ) অরণ্যবহ্নি
ঘ) পঞ্চগ্রাম
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত অরণ্যবহ্নি উপন্যাসটি ১৮৫৫ সালের ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত হয়েছে। এই উপন্যাসে সাঁওতালদের অধিকার আদায়ের লড়াই শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ এবং বিদ্রোহের করুণ পরিণতি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে চিত্রিত হয়েছে। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরণ্যক হলো অরণ্য জীবনের পটভূমিতে রচিত মহাকাব্যিক উপন্যাস মহাশ্বেতা দেবীর মহিষকুঁড়ার উপকথা গ্রামীণ অন্ত্যজ মানুষের জীবনচিত্র এবং তারাশঙ্করের পঞ্চগ্রাম রাঢ় অঞ্চলের সমাজচিত্র। সুতরাং অরণ্যবহ্নি হলো সাঁওতাল বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত উপন্যাস।
Related Questions
ক) আত্মজীবনী
খ) উপন্যাস
গ) কাব্য
ঘ) নাটক
Note : প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক আবুল ফজল রচিত রেখাচিত্র একটি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। এই গ্রন্থে লেখক তাঁর শৈশব কৈশোর শিক্ষা জীবন এবং কর্মজীবনের বিচিত্র অভিজ্ঞতা অত্যন্ত সাবলীল ভাষায় তুলে ধরেছেন যা সমকালীন সমাজ ও ইতিহাসের এক বিশ্বস্ত দলিল। এটি কোনো উপন্যাস কাব্য বা নাটক নয় বরং এটি লেখকের নিজস্ব জীবনস্মৃতি ও আত্মকথন। তাই রেখাচিত্র হলো একটি অত্যন্ত মূল্যবান আত্মজীবনী।
ক) শামসুর রাহমান
খ) সৈয়দ শামসুল হক
গ) শহীদ কাদরী
ঘ) আল মাহমুদ
Note : লোক-লোকান্তর হলো আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদের প্রথম এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৬৩ সালে প্রকাশিত হয়। এই কাব্যের মাধ্যমে তিনি গ্রামীণ জীবন লোকজ ঐতিহ্য এবং আধুনিক চেতনার এক অপূর্ব সমন্বয় ঘটিয়েছেন। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে শামসুর রাহমান সৈয়দ শামসুল হক এবং শহীদ কাদরী সকলেই বাংলাদেশের অত্যন্ত শক্তিমান কবি হলেও লোক-লোকান্তর কাব্যগ্রন্থটি আল মাহমুদের অনন্য সৃষ্টি।
ক) সাম্যবাদী
খ) সর্বহারা
গ) বিষের বাঁশী
ঘ) চক্রবাক
Note : জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নি-বীণা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। নজরুল গবেষকদের মতে এবং কাব্যিক ধারার ধারাবাহিকতায় বিষের বাঁশী কাব্যগ্রন্থটিকে অগ্নি-বীণা কাব্যের দ্বিতীয় খণ্ড বা ভাবগত উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করা হয় কারণ এই কাব্যেও অগ্নি-বীণার মতোই তীব্র বিদ্রোহ ও দেশপ্রেমের সুর ধ্বনিত হয়েছে। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে সাম্যবাদী সর্বহারা এবং চক্রবাক কবি নজরুলের অন্যান্য অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ কিন্তু বিষের বাঁশীকেই অগ্নি-বীণার পরবর্তী খণ্ডরূপ ভাবা হয়।
ক) নরেন্দ্র-কুন্দনন্দিনী
খ) মহিম-অচলা
গ) মহেন্দ্র-বিনোদিনী
ঘ) রমা-রমেশ
Note : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত চোখের বালি উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো হলো মহেন্দ্র এবং বিনোদিনী। এই উপন্যাসে পরকীয়া প্রেম এবং সামাজিক সম্পর্কের টানাপোড়েন চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে নরেন্দ্র ও কুন্দনন্দিনী হলো বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিষবৃক্ষ উপন্যাসের চরিত্র মহিম ও অচলা হলো শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের গৃহদাহ উপন্যাসের চরিত্র এবং রমা ও রমেশ হলো শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পল্লীসমাজ উপন্যাসের চরিত্র। তাই মহেন্দ্র ও বিনোদিনী হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসের চরিত্র।
ক) নিরোধক
খ) তালিকা
গ) পুনর্গঠন
ঘ) অনুঘটক
Note : রসায়ন এবং সাধারণ পরিভাষায় Catalyst বলতে এমন একটি পদার্থ বা প্রভাবককে বোঝায় যা নিজে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অপরিবর্তিত থেকে বিক্রিয়ার গতিকে ত্বরান্বিত বা মন্দীভূত করে। বাংলায় এর সঠিক পারিভাষিক শব্দ হলো অনুঘটক। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে নিরোধক বলতে কোনো কিছু বাধা দানকারীকে বোঝায় তালিকা বলতে ইংরেজিতে List বা Chart বোঝায় এবং পুনর্গঠন বলতে Reconstitution বা Reorganization বোঝায়। সুতরাং Catalyst শব্দের সঠিক পরিভাষা হলো অনুঘটক।
ক) ও তো সে-ই যাকে চেনা যায় না।
খ) ওকে চেনা গেল না।
গ) ওকে চেনা যায় কি?
ঘ) ওকে চেনাই দায়।
Note : অস্তিবাচক বাক্য হলো এমন বাক্য যা ইতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু মূল বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রাখে। ওকে চেনাই যায় না বাক্যটি একটি নেতিবাচক বা নেতিবাচক ভাব প্রকাশ করে। একে অস্তিবাচক করতে হলে অর্থের পরিবর্তন না করে ইতিবাচক শব্দ ব্যবহার করতে হবে। ওকে চেনাই দায় বাক্যটি অর্থগতভাবে প্রকাশ করে যে তাকে চেনা অত্যন্ত কঠিন বা অসম্ভব যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। অন্য অপশনগুলো হয় প্রশ্নের রূপ ধারণ করেছে অথবা সরাসরি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করছে।
জব সলুশন