নদী শব্দটি কী লিঙ্গ?
ক) পুংলিঙ্গ
খ) স্ত্রীলিঙ্গ
গ) ক্লীবলিঙ্গ
ঘ) উভয়লিঙ্গ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
যে শব্দ দ্বারা স্ত্রীবাচক সত্তাকে নির্দেশ করা হয় তাকে ব্যাকরণে স্ত্রীলিঙ্গ বলে। নদী শব্দটি বাংলা ভাষায় ঐতিহ্যগতভাবে স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর বিপরীতে নদ পুংলিঙ্গ হিসেবে গণ্য হয় যেমন ব্রহ্মপুত্র নদ।
Related Questions
ক) হর্ষ
খ) বিষাদ
গ) সুখ
ঘ) উল্লাস
Note : হর্ষ বা সুখ বা উল্লাস শব্দগুলো আনন্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয় যা মানব মনের আনন্দঘন অনুভূতিকে নির্দেশ করে।
ক) বর্ণ
খ) শব্দ
গ) অক্ষর
ঘ) ধ্বনি
Note : মানুষের মুখ থেকে উচ্চারিত অর্থপূর্ণ আওয়াজকে ধ্বনি বলা হয় এবং এটিই ভাষার ক্ষুদ্রতম বা আদিমতম একক। এই ধ্বনির দৃশ্যমান বা লিখিত রূপকে বলা হয় বর্ণ। একাধিক বর্ণ বা ধ্বনি একত্রে মিলিত হয়ে শব্দ গঠিত হয় এবং শব্দের একবারে উচ্চারিত অংশকে অক্ষর বলে।
ক) সংস্কৃত
খ) আরবি
গ) ফারসি
ঘ) ইংরেজি
Note : বাংলা সাহিত্যের বহু শব্দ সংস্কৃত বা তৎসম উৎস থেকে সরাসরি গৃহীত হয়েছে যার মধ্যে সাহিত্য অন্যতম প্রধান শব্দ।
ক) পরি+ঈক্ষা
খ) পরী+ইক্ষা
গ) পরি+ঈচ্ছা
ঘ) পড়ী+ঈচ্ছা
Note : সংস্কৃত সন্ধির নিয়ম অনুসারে হ্রস্ব-ই কারের পর দীর্ঘ-ঈ কার থাকলে উভয় মিলে দীর্ঘ-ঈ কার হয় এবং তা পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে উচ্চারিত হয়। এখানে পরি শব্দের শেষের হ্রস্ব-ই এবং ঈক্ষা শব্দের শুরুর দীর্ঘ-ঈ যুক্ত হয়ে পরীক্ষা শব্দটির সৃষ্টি করেছে।
ক) আমি কালকে ঢাকায় গিয়েছিলাম
খ) আমি গতকাল ঢাকায় গিয়েছিলাম
গ) আমি গিয়েছিলাম গতকাল ঢাকায়
ঘ) আমি ঢাকায় গেলাম গতকাল
Note : ব্যাকরণগত দিক থেকে গতকাল শব্দের ব্যবহার অতীতকালের যথাযথ নির্দেশক হিসেবে কাজ করে এবং বাক্যের পদবিন্যাসও এখানে সঠিক রয়েছে। কালকে শব্দটি কথ্য রূপ হওয়ায় লিখিত ও প্রমিত ব্যাকরণে এটি অশুদ্ধ বলে গণ্য হয়।
জব সলুশন