Who is known as the 'Poet of Beauty' in English literature?
ক) William Wordsworth
খ) John Keats
গ) Percy Bysshe Shelley
ঘ) Lord Byron
Related Questions
ক) উপমান কর্মধারয়
খ) নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি
গ) অলুক দ্বন্দ্ব সমাস
ঘ) সহার্থক বহুব্রীহি
Note : যে দ্বন্দ্ব সমাসে সমস্যমান পদের বিভক্তি লোপ পায় না তাকে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে। জলে-স্থলে, দেশে-বিদেশে এবং হাটে-বাজারে প্রতিটি পদে সপ্তমী বিভক্তি -এ লোপ পায়নি।
ক) ইসমাইল হোসেন সিরাজী
খ) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
গ) কায়কোবাদ
ঘ) নবীনচন্দ্র সেন
Note : কায়কোবাদ রচিত অশ্রুমালা ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক শোককাব্য বা এলিজি। কায়কোবাদের আসল নাম মহাকবি কায়কোবাদ বা মুন্সী মেহেরউল্লাহ। ইসমাইল হোসেন সিরাজী ছিলেন অনলপ্রবাহ কাব্যের রচয়িতা। হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন বৃত্রসংহার কাব্য এবং নবীনচন্দ্র সেন ছিলেন পলাশীর যুদ্ধ কাব্যের রচয়িতা।
ক) খারাপ লোক এবং পাখির ডাক
খ) পাখির ডাক এবং খারাপ লোক
গ) ফুলের কুঁড়ি এবং ছোট ঘর
ঘ) নদী এবং ঝরনা
Note :
কূজন দীর্ঘ উ-কার দিয়ে গঠিত শব্দটির অর্থ হলো পাখির ডাক বা পাখির কাকলি। অপরদিকে কুজন হ্রস্ব উ-কার দিয়ে গঠিত শব্দটির অর্থ হলো খারাপ লোক বা কুৎসিত লোক। ফলে সঠিক ক্রমটি হলো পাখির ডাক এবং খারাপ লোক।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য' কত সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে কয়টি সর্গ রয়েছে?
ক) ১৮৫১ সালে; ৭টি
খ) ১৮৬১ সালে; ৯টি
গ) ১৮৬৫ সালে; ১২টি
ঘ) ১৮৭২ সালে; ৫টি
Note : মেঘনাদবধ কাব্য মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত মহাকাব্য। এটি ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে মোট ৯টি সর্গ রয়েছে। রামায়ণ অবলম্বনে রচিত হলেও লেখক এতে রাবণ ও মেঘনাদকে নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে উপস্থাপন করেছেন।
ক) সুকুমার সেন
খ) গোপাল হালদার
গ) ড. মুহম্মদ এনামুল হক
ঘ) দীনেশচন্দ্র সেন
Note : দীনেশচন্দ্র সেন ১৮৯৬ সালে বঙ্গভাষা ও সাহিত্য গ্রন্থটি রচনা করেন যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক প্রথম পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত। সুকুমার সেন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক অন্যতম প্রখ্যাত গবেষক যিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থ রচনা করেন। গোপাল হালদার এবং ড. মুহম্মদ এনামুল হকও বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাস নিয়ে উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ লিখেছেন তবে প্রথম পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থটির রচয়িতা দীনেশচন্দ্র সেন।
ক) কাজী নজরুল ইসলাম
খ) মহাত্মা গান্ধী
গ) নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
ঘ) লর্ড কার্জন
Note : মহাত্মা গান্ধী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে শ্রদ্ধার সঙ্গে গুরুদেব উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। এর জবাবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মহাত্মা গান্ধীকে মহাত্মা উপাধি প্রদান করেন। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু রবীন্দ্রনাথকে বিশ্বকবি বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। কাজী নজরুল ইসলাম রবীন্দ্রনাথকে কাব্যগুরু মানতেন। লর্ড কার্জন ছিলেন ভারতের ভাইসরয় যিনি বঙ্গভঙ্গ করেছিলেন।
জব সলুশন