বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ কোনটি?
দেশে ২৯টি গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে বর্তমানে ২০টি গ্যাসক্ষেত্র থেকে নিয়মিত গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।
- এসব গ্যাসক্ষেত্রে সব মিলিয়ে গ্যাস আছে ৮.৪৬ টিসিএফ।
- দেশের ৬০ শতাংশ গ্যাসের যোগান আসে বিবিয়ানা থেকে।
- মার্কিন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান শেভরন এতদিন বিবিয়ানা থেকে দৈনিক ১ হাজার ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করলেও, এখন তা কমে নেমে এসেছে ১ হাজার ১০০ মিলিয়নে।
Related Questions
বাংলাদেশে পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর।
বাংলাদেশে গো-চারণের জন্য বাথান রয়েছে দুটি জেলায়। যথা-পাবনা ও সিরাজগঞ্জ।
- এই অঞ্চলে বিশেষত চরাঞ্চল এবং খাস জমিতে গবাদিপশু পালনের জন্য বাথান ব্যবস্থার প্রচলন রয়েছে।
- পাবনা ও সিরাজগঞ্জের চরাঞ্চলগুলোতে গবাদিপশু চরানোর জন্য উর্বর ভূমি এবং পর্যাপ্ত ঘাস পাওয়া যায়, যা বাথান ব্যবস্থার জন্য উপযুক্ত।
বাংলাদেশের প্রথম ও প্রধান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (BAU) প্রথম উপাচার্য ছিলেন ড. ওসমান গনি। তিনি ১৯৬১ থেকে ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত এই পদে দায়িত্ব পালন করেন।
বাংলাদেশের জাতীয় পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকসমূহ বাংলাদেশের ইতিহাস, বাংলাদেশী ঐতিহ্য, সাংস্কৃতিক জীবনধারা ও আদর্শের প্রতিনিধিত্ব করে। বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক দলিল, পতাকা, রাষ্ট্রীয় প্রতীক, জাতীয় সঙ্গীত ও স্মৃতিসৌধসহ বিভিন্ন সরকারি জাতীয় প্রতীক রয়েছে, যেগুলো স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময় গৃহীত হয়। এগুলো ছাড়া আরও কিছু জাতীয় প্রতীক রয়েছে।
যেমন: জাতীয় পাখি, জাতীয় পশু, জাতীয় ফুল ও জাতীয় গাছ প্রভৃতি।
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারটি ঢাকার সাভারে অবস্থিত। এটি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশেই প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান।
বাংলাদেশের জাতীয় পাখি দোয়েল।
বাংলাদেশের জাতীয় পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল।
বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলা।
জব সলুশন