সমুদ্রের গভীরতা মাপা হয় কোন যন্ত্র দিয়ে?
মুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করার যন্ত্রের নাম ফ্যাদোমিটার (Fathometer)। এছাড়া সমুদ্রের তলদেশের গভীরতা ও অবস্থান নির্ণয়ে সোনর (SONAR) বা ইকো-সাউন্ডার (Echo sounder) নামক প্রযুক্তিও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
Related Questions
ম্যাগনেটিক ফিল্ডের আকর্ষন বিকর্ষণে স্পিকারের পর্দা কাপাকাপির কারণে সামনের বাতাসে কম্পন সৃষ্টি হওয়ার ফলে আমরা স্পিকার থেকে ভেসে আসা শব্দ শুনতে পাই। আর এভাবেই ইলেক্ট্রনিক সিগন্যালের শব্দ শক্তিতে রূপান্তর হয়।
- রাডারের মূলনীতি হলো ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পালস ছড়িয়ে দেয়া হয় যেন বস্তু থেকে প্রতিফলিত হয়ে রাডারের গ্রাহক যন্ত্রে আসে।
- এ জন্য গামা রশ্মি বা মাইক্রোওয়েভ উভয়ের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ক্ষুদ্র হলে ও কম ভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন মাইক্রোওয়েভই ব্যবহার করা হয়।
- অপরপক্ষে ক্ষমতাসম্পন্ন মাইক্রোওয়েভই ব্যবহার করা হয়।
- অপরপক্ষে অবলোহিত বিকিরণ ও আলোক তরঙ্গের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশ বড়।
বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে, লৌহ (Iron) রাবার বা অন্য অনেক সাধারণ উপাদানের চেয়েও বেশি স্থিতিস্থাপক।
যে সকল পদার্থ চুম্বক দ্বারা প্রবলভাবে আকৃষ্ট হয় তাদেরকে চৌম্বক পদার্থ বলা হয়।
- যেমন- লোহা, নিকেল, কোবাল্ট, ইস্পাত ইত্যাদি।
- এ সকল চৌম্বক পদার্থকে সহজে চুম্বকে পরিণত করা যায়।
- যে সকল পদার্থ চুম্বক দ্বারা প্রভাবিত হয় না বা যাদেরকে চৌম্বক পদার্থে পরিণত করা যায় না তাদেরকে অচৌম্বক পদার্থ বলে।
- যেমন: কাঠ, কাঁচ, কাগজ, সোনা, রূপা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি।
হাজাগতিক রশ্মির (Cosmic rays) আবিষ্কারক অস্ট্রীয়-মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস। ১৯১২ সালে বেলুনে করে আকাশে বিভিন্ন উচ্চতায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে তিনি মহাশূন্য থেকে পৃথিবীতে আসা এই তেজস্ক্রিয় বিকিরণের উপস্থিতি প্রমাণ করেন। এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
✔দর্পন বা আয়না হল এমন একটি মসৃণ তল যেখানে আলোর প্রতিফলনের নিয়মানুযায়ী নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে। কাচের যেদিকে সিলভারিং (কাচে ধাতুর প্রলেপ লাগানোর পদ্ধতি) করা থাকে তার বিপরীত পৃষ্ঠকে দর্পণের পৃষ্ঠ বা প্রতিফলক পৃষ্ঠও বলা হয়।
✔লেন্স এক ধরনের স্বচ্ছ মাধ্যম যার মধ্য দিয়ে আলোর প্রতিসরণ ঘটে। একটি অথবা উভয় আবরণ একদিক থেকে আলো সংগ্রহ করে এর অভিসরণ পরিবর্তন করে অন্যদিকে প্রতিফলন করে।
✔ প্রিজম হলো একটি প্রিজম আকৃতির স্বচ্ছ বস্তু যার মধ্য দিয়ে সাদা আলোকরশ্মি যাবার সময় সাতটি রং এ বিভক্ত হয়ে যায়।
✔কোনো বিন্দু থেকে নিঃসৃত আলোকরশ্মিগুচ্ছে প্রতিফলিত বা প্রতিসরিত হয়ে যদি দ্বিতীয় কোনো বিন্দুতে মিলিত হয় বা দ্বিতীয় কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয়, তা হলে ওই দ্বিতীয় বিন্দুকে প্রথম বিন্দুর প্রতিবিম্ব বা বিম্ব বলে।
জব সলুশন