জাতীয় সংসদ ভবন এর স্থপতি–
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি আমেরিকান স্থাপত্যবিদ লুই আই কান। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই স্থপতি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের পাশাপাশি তিনি সলক ইনষ্টিটিউট, ইয়েল ইউনিভার্সিটি আর্টস লাইব্রেরি, ফিলিপ এক্রিটার একাডেমি লাইব্রেরি প্রভৃতির নকশা করেন।
Related Questions
বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী প্রধান খাত হলো রেডিমেড গার্মেন্টস বা তৈরি পোশাক শিল্প。বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, তৈরি পোশাক (RMG) রপ্তানিতে চীন ও ভিয়েতনামের সাথে প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ বিশ্বে অন্যতম শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে এবং মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগই এই খাত থেকে আসে.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের অধিবেশন বৈধভাবে পরিচালনার জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
ঢাকায় সর্বপ্রথম বাংলার রাজধানী স্থাপিত হয় ১৬১০ খ্রিষ্টাব্দে। সুবেদার ইসলাম খান বিহারের রাজমহল থেকে ঢাকায় সর্বপ্রথম রাজধানী স্থানান্তর করেন এবং নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর। স্বাধীনতার পূর্বে ঢাকায় সর্বমোট তিনবার রাজধানী স্থাপিত হয় - ১৬১০, ১৯০৫ , ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে।
ঐতিহাসিক ২১-দফা দাবির প্রথম দাবিটি ছিল "বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা হবে"। ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট এই কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল।
'ব্রজবুলি’ বলতে বোঝায় একরকম কৃত্রিম কবি ভাষা।
ব্রজবুলি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয় কাব্যভাষা বা উপভাষা। ব্রজবুলি মূলত এক ধরনের কৃত্রিম মিশ্রভাষা। মৈথিলি ও বাংলার মিশ্রিত রূপ হলো ব্রজবুলি ভাষা। মিথিলার কবি বিদ্যাপতি (আনু. ১৩৭৪ - ১৪৬০) এর উদ্ভাবক।
তার পদের ভাব ও ভাষার অনুসরণে বাংলা, উড়িষ্যা ও আসামে পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে ব্রজবুলি ভাষার সৃষ্টি হয়। পদগুলিতে রাধাকৃষ্ণের ব্রজলীলা বর্ণিত হওয়ায় এর নাম হয়েছে ব্রজবুলি অর্থাৎ ব্রজ অঞ্চলের ভাষা।
সঠিক বানানটি হলো: মুমূর্ষু (ম-এ রসুকার, ম-এ দীর্ঘকার, রেফ, মূর্ধন্য-ষ-এ রসুকার
জব সলুশন