‘ব্রজবুলি’ বলতে কী বোঝায়?
'ব্রজবুলি’ বলতে বোঝায় একরকম কৃত্রিম কবি ভাষা।
ব্রজবুলি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয় কাব্যভাষা বা উপভাষা। ব্রজবুলি মূলত এক ধরনের কৃত্রিম মিশ্রভাষা। মৈথিলি ও বাংলার মিশ্রিত রূপ হলো ব্রজবুলি ভাষা। মিথিলার কবি বিদ্যাপতি (আনু. ১৩৭৪ - ১৪৬০) এর উদ্ভাবক।
তার পদের ভাব ও ভাষার অনুসরণে বাংলা, উড়িষ্যা ও আসামে পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে ব্রজবুলি ভাষার সৃষ্টি হয়। পদগুলিতে রাধাকৃষ্ণের ব্রজলীলা বর্ণিত হওয়ায় এর নাম হয়েছে ব্রজবুলি অর্থাৎ ব্রজ অঞ্চলের ভাষা।
Related Questions
সঠিক বানানটি হলো: মুমূর্ষু (ম-এ রসুকার, ম-এ দীর্ঘকার, রেফ, মূর্ধন্য-ষ-এ রসুকার
যে ভাষায় শব্দভাণ্ডার যত সমৃদ্ধ এবং যত বেশি অর্থবৈচিত্র্যে ঋদ্ধ সেই ভাষা তত উন্নত বলে স্বীকৃত। বাংলা একটি সমৃদ্ধ ভাষা হওয়ায় এ ভাষায় বানান ও উচ্চারণগত অভিন্নতা সত্ত্বে ও একই শব্দ বাক্যের মধ্যে বিভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে থাকে। উপরিউক্ত প্রশ্নে 'মুখ' দ্বারা এখানে স্পষ্টতই শক্তি বুঝানো হয়েছে।
হ্যাঁ, "তুমি যাও" বাক্যটি একটি অনুজ্ঞা। যে বাক্যের মাধ্যমে আদেশ, উপদেশ, অনুরোধ বা নির্দেশ প্রকাশ পায়, তাকে অনুজ্ঞা বলে। যেহেতু এখানে কাউকে কোনো কাজ করতে বলা হচ্ছে, তাই এটি অনুজ্ঞাসূচক বাক্য।
ক্রিয়া পদ বাক্য গঠনের অপরিহার্য অঙ্গ। ক্রিয়া পদ ভিন্ন কোন মনোভাব সম্পন্নরূপে প্রকাশ করা যায় না। তবে কখনো কখনো বাক্যে ক্রিয়া পদ উহ্য থাকতে পারে যেমন :
ইনি আমার ভাই=ইনি আমার ভাই (হন)
আজ প্রচন্ড গরম= আজ প্রচন্ড গরম (অনুভূত হচ্ছে)
তোমার মা কেমন? =তোমার মা কেমন (আছেন)?
যাহার কোন কিছুতে ক্লান্তি নাই - অক্লান্ত/ ক্লান্তিহীন।
কর্মে যাহার ক্লান্তি নাই - অক্লান্তকর্মী।
শুচিস্মিতা = যে নারীর হাসি পবিত্র।
জব সলুশন