"নৌকায়" নদী পার হলাম---বাক্যে উদ্ধত শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
সঠিক উত্তর করণে ৭মী
করণ' শব্দের অর্থ: যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়। ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলা হয়। বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'কিসের দ্বারা' বা 'কী উপায়ে' প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায়, তা - ই করণ কারক। যেমন - নীরা কলম দিয়ে লেখে। (উপকরণ - কলম)'জগতে কীর্তিমান হয় সাধনায়। ' (উপায় - সাধনা) প্রথমা বা শূণ্য বা অ বিভক্তি: ছাত্ররা বল খেলে। (অকর্মক ক্রিয়া) ডাকাতেরা গৃহস্বামীর মাথায় লাঠি মেরেছে। কৃষক লাঙ্গল চষছে।
Related Questions
‘করণ’ শব্দটির অর্থ যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়। কর্তা যা দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে করণ কারক বলে। যেমন - নীরা কলম দিয়ে লেখে ( উপকরণ - কলম )। ‘নীল আকাশের নিচে আমি রাস্তা চলেছি একা।’ ( উপায় - রাস্তা )।
ঢাকের কাঠি একটি বাগধারা।প্রদত্ত বাগধারাটির অর্থ - তোষামুদে/ চাটুকার। যেমন: তুমি তো বড় সাহেবের ঢাকের কাঠি,তিনি যা বলেন,তুমি তাই বলো।
যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ হয় না তাকে 'অলুক সমাস' বলে।
অলুক সমাসে কখনো পূর্বপদে বিভক্তি লোপ পায় না। অলুক সমাস কোনো স্বতন্ত্র সমাস নয়, যেকোনো শ্রেণীর সমাস অলুক হতে পারে। যেমন - যুদ্ধের স্থির থাকে যে = যুধিষ্ঠির।
যে যে পদে সমাস হয় তাদের প্রত্যেকটির নাম সমস্যমান পদ।
সমাস এর পরিভাষা পাঁচটি। সমস্যমান পদ, ব্যাসবাক্য, সমস্তপদ, পূর্বপদ, পরপদ। সমাস যুক্তপ্রদেশ প্রথম অংশকে পূর্বপদ বলে। সমাস যুক্ত পদের পরবর্তী অংশকে পরপদ বলে। সমাসবদ্ধ বা সমাস নিষ্পন্ন পদটির নাম সমস্ত পদ। সমস্ত পদ কে ভাঙলে যে বাক্য পাওয়া যায় তাকে বলা হয় ব্যাসবাক্য।
বিসর্গের পরে চ /ছ থাকলে বিসর্গের স্থানে “শ” আর ট/থ থাকলে স হয়, যেমন - দুঃ + চরিত্র = দুশ্চরিত্র।
”নাবিক” শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ নৌ + ইক।
এ, ঐ, ও, ঔ কারের পর এ, ঐ স্থানে যথাক্রমে অয়, আয় এবং ও ঔ স্থানে যথাক্রমে অব্ ও আব্ হয়। যেমন - নৌ + ইট = নাবিক, বৌ + অক = ভাবুক, গৈ + অক = গায়ক ইত্যাদি।
জব সলুশন