উপকূল হতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা কত?
বাংলাদেশের মোট সীমানা ৫১৩৮ কিলোমিটার। এর মধ্যে জলসীমা ৭১১ কিলোমিটার।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল।
রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল।
মহীসোপান ৩৫০ নটিক্যাল মাইল।
Related Questions
পৃথিবীর সব শক্তির মূল উৎস সূর্য। সূর্য থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তাকে সৌরশক্তি বলে। সূর্য থেকে প্রতিনিয়ত যে পরিমাণ শক্তি পৃথিবীতে এসে পৌঁছায় তা সূর্যের উৎপন্ন শক্তির দুই শত কোটি ভাগের এক ভাগ মাত্র। এই সৌরশক্তির অফুরন্ত ভাণ্ডার আমাদের প্রতিদিনের নানারকম কাজের চাহিদা মেটায়। উদ্ভিদ এই শক্তি ব্যবহার করে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া চালু রাখে যা থেকে প্রাপ্ত শক্তি তারা রাসায়নিক শক্তিতে (অক্সিজেন ও স্বল্প পরিমাণ কার্বন যৌগ) পরিণত করে। বর্তমানে সৌরশক্তিকে ব্যবহার করে বাষ্প উৎপাদনের মাধ্যমে টারবাইন ও জেনারেটরের সাহায্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। এ ছাড়া রান্নার কাজে সৌরচুল্লি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই সৌরশক্তি বারবার ব্যবহার করা যাবে। কখনোই শেষ হবে না। তাই সৌর শক্তিকে নবায়নযোগ্য শক্তি বলা হয়।
-সূর্যের চারিদিকে পরিক্রমণকালে ২১ জুন পৃথিবী তার কক্ষ পথে এমন এক অবস্থানে এসে পৌঁছে যেখানে সুমেরু সূর্যের দিকে সর্বাপেক্ষা বেশি ঝুঁকে থাকে এবং কুমেরু সূর্য হতে সর্বাপেক্ষা দূরে সরে যায় তাই ২১ জুন তারিখে উত্তর গোলার্ধে দিন বড় এবং দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় রাত হয়।
-ঐ দিন উত্তর গোলার্ধ সূর্যের নিকটতম স্থানে অবস্থান করে।
- প্রধানত নিরক্ষীয় অঞ্চলে অধিক উষ্ণতার ফলে পরিচলন পদ্ধতিতে জলীয় বাষ্প পুর্ন উষ্ণ বায়ু উপরে উঠে( ট্রপোপজ বা ট্রপোপজ এর ১-২ কিমি ঊর্দ্ধে) শুষ্ক তাপ হ্রাস করে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে কিউমুলোনিম্বাস বা ঝড়ো পুঞ্জ মেঘের সৃষ্টি করে যে বৃষ্টিপাত ঘটে তাকে পরিচলন বৃষ্টিপাত বলে।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় প্রতিদিন বিকালে ও সন্ধ্যায় এই ধরনের বৃষ্টিপাত ও প্রচন্ড ঝড়, বজ্রপাত হয়ে থাকে।
- দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় এই ধরনের বৃষ্টি কে বলে, "4 O'clock Rain ". এছাড়া পশ্চিম বঙ্গে চৈত্র বৈশাখ মাসে প্রচন্ড দাবদাহের পর যে কালবৈশাখী ঝড় বৃষ্টি প্রশান্তি নিয়ে আসে, তা এই পরিচলন জাতীয় বৃষ্টিপাত।
সূর্য চন্দ্র অপেক্ষা ২.৬০ কোটি গুণ বড় হলেও পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব থেকে অনেক বেশি। তাই পৃথিবীর উপর চাঁদের আকর্ষণ শক্তি সূর্য অপেক্ষা প্রায় দ্বিগুণ। পৃথিবীর উপর চাঁদের আকর্ষণ তাই হল মাধ্যাকর্ষণ শক্তি। এ মধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে জোয়ার ভাটা হয়।
- উদ্ভিদের বিশেষ দিকে যেমন: আলোর দিকে, মাটির দিকে পানির দিকে বৃদ্ধি পাওয়াকে দিঙমুখিতা বলে।
- দিঙমুখিতার কারণে কাণ্ড ও মূলের বৃদ্ধি বেশি ঘটে।
- উদ্ভিদ প্রতিদিন সূর্যালোকের উপস্থিতিতে বায়ু থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড ও মাটি থেকে পানি গ্রহণ করে।
- এরপর সবুজ পাতায় উপস্থিত ক্লোরোফিলের সাহায্যে স্টার্চ বা সেলুলোজ উৎপন্ন করে এবং অক্সিজেন ত্যাগ করে। এ প্রক্রিয়াটি সালোকসংশ্লেষণ নামে পরিচিত।
- আবার উদ্ভিদ শিকড়ের সাহায্যে মাটি থেকে নাইট্রোজেন, সালফার, ফসফরাস প্রভৃতি গ্রহণ করে দেহের পুষ্টি সাধন করে। এ সবই রাসায়নিক পরিবর্তন।
- রাসায়নিক পরিবর্তনে প্রতিটি ক্ষেত্রে নতুন পদার্থের সৃষ্টি হয়।
জব সলুশন