বঙ্গভঙ্গের পরেই ঢাকায় কি নির্মিত হয়?
লর্ড কার্জন ১৬ অক্টোবর, ১৯০৫ সালে বঙ্গ প্রদেশকে দুই ভাগে বিভক্ত করেন। একটি 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম' অপরটি 'পশ্চিমবঙ্গ'। পরবর্তীতে লর্ড হার্ডিঞ্জ ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর বঙ্গবঙ্গ রদ করেন।
Related Questions
মুসলিম লীগের প্রকৃত নাম ছিল 'নিখিল ভারত মুসলিম লীগ'। নওয়াব সলিমুল্লাহর উদ্যোগে ঢাকায় নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় ৩০ ডিসেম্বর, ১৯০৬ সালে।
ফরায়েজি আন্দোলন অর্থ ফরজ পালনের জন্য আন্দোলন। হাজী শরীয়তউল্লাহ ১৮১৮ সালে ফরায়েজি আন্দোলন শুরু করেন। ১৮৪০ সালে হাজী শরীয়তউল্লাহর মৃত্যু হলে ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন দুদু মিয়া।
ভূ প্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা - ১. টারশিয়ারী যুগের পাহাড় সমূহ ২. প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ এবং ৩. সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি।
মেঘনা নদী ও ব্রহ্মপুত্র নদীর মিলিত হয়েছে ভৈরব বাজারে।
মেঘনা নদী আসামের নাগা মনিপুর পাহাড়ের দক্ষিণ লুসাই পাহাড় হতে উৎপন্ন হয় সিলেটের ভেতর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। দৈর্ঘ্য প্রস্থ গভীরতা দেশের বৃহত্তম নদী মেঘনা।
- ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বতের মানস সরোবর হ্রদের কাছে কৈলাস শৃঙ্গের চেমায়ুং দুং হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- তিব্বতে এই নদটি সাঙপো নামে পরিচিত এবং অরুণাচল প্রদেশে এটি ডিহং নামে পরিচিত।
- ভারতের আসামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পর এই নদ যমুনা নাম ধারণ করে।
- ব্রহ্মপুত্র নাম ধারণ করার আগে এই নদের সাথে লোহিত ও ডিহং নদী মিলিত হয়েছে।
- এটি গঙ্গা বা পদ্মা নদীর সাথে গোয়ালন্দ ঘাটে মিলিত হয়ে মেঘনা নাম নিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
বাংলাদেশের মোট সীমানা ৫১৩৮ কিলোমিটার। এর মধ্যে জলসীমা ৭১১ কিলোমিটার।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল।
রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল।
মহীসোপান ৩৫০ নটিক্যাল মাইল।
জব সলুশন