শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবে পালন করা হয়?
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস বাংলাদেশে পালিত একটি বিশেষ দিবস। প্রতিবছর বাংলাদেশে ১৪ ডিসেম্বর দিনটিকে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ১৯৭১ সালের ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর সকল বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে। এ কাজে বাংলাদেশীদের মধ্যে রাজাকার, আল বদর, আল শামস বাহিনীর সদস্যরা তাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছিল।
Related Questions
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কামরুল হাসান।
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সবুজ আয়তক্ষেত্রের মধ্যে লাল বৃত্ত। সবুজ রং বাংলাদেশের সবুজ প্রকৃতি ও তারুণ্যের প্রতীক, বৃত্তের লাল রং উদীয়মান সূর্য, স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারীদের রক্তের প্রতীক। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারীভাবে গৃহীত হয়।
১৯৭২ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার শিবনারায়ন দাশের ডিজাইন কৃত পতাকার মাঝে মানচিত্রটি বাদ দিয়ে পতাকার মাপ, রঙ, ও তার ব্যাখ্যা সম্বলিত একটি প্রতিবেদন দিতে বলে পটূয়া কামরুল হাসানকে। কামরুল হাসান দ্বারা পরিমার্জিত রূপটিই বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা
অহিংস ও অসহযোগ আন্দোলনের জনক মহাত্মা গান্ধী। মহাত্মা গান্ধীর প্রকৃত নাম মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী। অসহযোগ আন্দোলনের সময়কাল ছিল ১৯২০ - ১৯২২ সাল।
পূর্ব বাংলার প্রথম গভর্নর ছিলেন চৌধুরী খালেকুজ্জামান। ভারত বিভাজনের পর ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠিত হলে পূর্ব বাংলার গভর্নর হিসেবে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী এবং ভারত বিভাগের পর পূর্ব বাংলার প্রশাসনিক কার্যক্রম চালানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
খালেকুজ্জামান মূলত মুসলিম লীগ দলের সদস্য ছিলেন এবং ১৯৪৬ সালের ভারতীয় সাধারণ নির্বাচনে মুসলিম লীগের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তার শাসনামলে পূর্ব বাংলার সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশ অনেকটাই নতুনভাবে গঠিত হয়েছিল।
লর্ড কার্জন ১৬ অক্টোবর, ১৯০৫ সালে বঙ্গ প্রদেশকে দুই ভাগে বিভক্ত করেন। একটি 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম' অপরটি 'পশ্চিমবঙ্গ'। পরবর্তীতে লর্ড হার্ডিঞ্জ ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর বঙ্গবঙ্গ রদ করেন।
মুসলিম লীগের প্রকৃত নাম ছিল 'নিখিল ভারত মুসলিম লীগ'। নওয়াব সলিমুল্লাহর উদ্যোগে ঢাকায় নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় ৩০ ডিসেম্বর, ১৯০৬ সালে।
ফরায়েজি আন্দোলন অর্থ ফরজ পালনের জন্য আন্দোলন। হাজী শরীয়তউল্লাহ ১৮১৮ সালে ফরায়েজি আন্দোলন শুরু করেন। ১৮৪০ সালে হাজী শরীয়তউল্লাহর মৃত্যু হলে ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন দুদু মিয়া।
জব সলুশন