চর্যাপদের কবির সংখ্যা কত জন ?

ক) ২৫
খ) ২৩
গ) ২৬
ঘ) ২৪
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
প্রাচীন বাংলা ভাষার চর্যাপদের মোট ৫০ টি পদের ২৩ জন কবির নাম পাওয়া যায়। চর্যাপদে আরও একজন পদকর্তার নাম আছে, কিন্তু তার পদটি নেই। সেটি ধরলে চর্যার পদ সংখ্যা ৫১ এবং কবি ২৪ জন।

Related Questions

ক) বার্মার আরাকান
খ) ফরিদপুর সুরেশ্বর
গ) চট্টগ্রামের জোবরা
ঘ) চট্টগ্রামের পটিয়া
Note : কবি ও পণ্ডিত আলাওল আনুমানিক ১৬০৭ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রামের হাটহাজারীর জোবড়া গ্রামে, মতান্তরে ফরিদপুরের ফতেয়াবাদ পরগনায় জন্মগ্রহণ করেন।
ক) ব্রাহ্মী লিপি
খ) সংস্কৃত লিপি
গ) চীনা লিপি
ঘ) আরবি লিপি
Note : প্রাচীন ভারতীয় লিপি দুটি। ব্রাহ্মী ও খরোষ্ঠী। ব্রাহ্মী লিপি তিন ভাগে বিভক্ত। পুর্বী লিপি, মধ্য ভারতীয় লিপি এবং পশ্চিমা লিপি। পুর্বী লিপির কুটিল রূপ হতে বাংলা লিপির উদ্ভব।
ক) চর্যাপদাবলি
খ) চর্যাগীতিকা
গ) চর্যাচর্যবিনিশ্চয়
ঘ) হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা
Note : হরপ্রসাদ শাস্ত্রী 'হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে ‘চর্যাপদ’ প্রকাশ করেছিলেন।
ক) পুঁথি সাহিত্য
খ) খনার বচন
গ) নাথ সাহিত্য
ঘ) চর্যাপদ
Note : বাংলা সাহিত্যর আদি নিদর্শন বা বাংলা ভাষার প্রাচীন নিদর্শন চর্যাপদ।
ক) নিরঞ্জনের রুস্মা
খ) গুপিচন্দ্রের সন্ন্যাস
গ) দোহাকোষ
ঘ) ময়নামতির গান
Note : বাঙালিরা প্রথমে ছিল মূলত বৌদ্ধ। তাই উনিশ শতকে যখন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, বাঙালির ইতিহাস লেখা শুরু হতে লাগলো, তখন বৌদ্ধ ধর্মের ইতিহাস নিয়েও গবেষণা শুরু হয়ে গেল। অনেকেই প্রাচীন বৌদ্ধ গান, দোহা- এসব খুঁজতে শুরু করলো নেপালে- তিব্বতে গিয়ে। এসব গানগুলো ছিল মূলত সংস্কৃত বা তিব্বতী ভাষায় লেখা। সম্ভবত প্রথম এ কাজে নেপাল যান রাজা রাজেন্দ্রলাল মিত্র। তিনি বৌদ্ধ ধর্ম আর বৌদ্ধ সাহিত্যের অনেকগুলো পুঁথিও আবিষ্কার করেন। পরে সেগুলোর একটা তালিকাও প্রকাশ করেন ১৮৮২ সালে। তার এসব কাজ দেখে উৎসাহিত হন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। ১৮৯৭-৯৮ সালে দুবার নেপালে যান তিনি। তৃতীয় এবং শেষবার যান ১৯০৭ সালে। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে তৃতীয়বার নেপাল ভ্রমণকালে তিনি নেপালের রাজদরবারের লাইব্রেরিতে খুঁজে পান চারটি প্রাচীন পুঁথি; ‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’, সরোজবজের ‘দোহাকোষ’, কৃষ্ণাচার্যের ‘দোহাকোষ’ আর ‘ডাকার্ণব’।
ক) লুই পা
খ) ভুসুক পা
গ) সরহ পা
ঘ) কাহ্ন পা
Note : চর্যার পুঁথিতে সর্বাধিক সংখ্যক পদের রচয়িতা কাহ্ন বা কাহ্নপাদ। তিনি কৃষ্ণাচার্য, কৃষ্ণপাদ ও কৃষ্ণবজ্র নামেও পরিচিত। পুঁথিতে তাঁর মোট ১১টি পদ (পদ- ৭, ৯, ১১, ১২, ১৮, ১৯, ২৪, ৩৬, ৪০, ৪২ ও ৪৫) পাওয়া যায়। ইনি ওড়িশার এক ব্রাহ্মণ বংশে জন্মগ্রহণ করেন বলে জানা যায়। শৌরসেনী অপভ্রংশ ও মাগধী অপভ্রংশজাত বাংলায় তিনি পদ রচনা করতেন।

জব সলুশন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

পরিবেশ অধিদপ্তর — নমুনা সংগ্রহকারী 19-06-2026

পোস্টমাস্টার জেনারেলের কার্যালয়, উত্তরাঞ্চল, রাজশাহী — পোস্টাল অপারেটর 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন