বৃথা ত্রাসে প্রলয়ের সিন্ধু ও দেয়া-ভার, ঐ হল পুণ্যের যাত্রীরা খেয়া পার।' ---এই উদ্ধৃতাংশটি কোন কবির রচনা?
খেয়া পারের তরণী" কবিতা থেকে চয়ন করা হয়েছে। কবিতাটি কবি কাজী নজরুল ইসলামের "অগ্নিবীণা " কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। এটি কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এটি প্রকাশিত হয় ১৩২৯ বঙ্গাব্দে।এতে মোট ১২ টি কবিতা আছে। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো - খেয়া পারের টরণী, মোহররম, কামাল পাশা ইত্যাদি।
Related Questions
পদ্মা নদীর মাঝি (১৯৩৬) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস । এটি ১৯৩৪ সাল থেকে পূর্বাশা পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। পদ্মা তীরবর্তী ধীবর জীবন উপন্যাসটির মূল উপজীব্য।
জসীমউদ্দীনের গ্রাম্য যাত্রাপালা কেন্দ্রিক বিখ্যাত গীতিনাট্য ‘বেদের মেয়ে' (১৯৫১)। নাটকটি প্রথম ঢাকায় অভিনীত হয় ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৫ সালে।
বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'কি দিয়ে' 'কিসের দ্বারা' বা 'কি উপায়ে' প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তাই করণ কারক। সুতরাং নিম্নরেখ শব্দটি করণ কারক। আবার এটির সঙ্গে 'য়' থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি।
ক্রিয়াপদকে ধরে কোথায় কোন স্থানে কখন কোন সময় কবে, কোন বিষয়ে বা ব্যাপারে এই প্রকার প্রশ্ন করলে তার উত্তরে অধিকরণ কারক পাওয়া যায়। এখানে 'পড়াশোনায় মন দাও' বাক্যে 'কোথায় বা কোন বিষয়ে মন দাও? এর উত্তরে পাওয়া যাবে 'পড়াশোনায়'। সুতরাং এটি অধিকরণ কারক। আবার এটির সাথে 'য়' থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি।
যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণ ভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য ব বিশেষ্য পদে সমাস হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলা হয়। এখানে প্রাণ যাওয়ার ভয় = প্রাণভয়। সুতরাং এটি কর্মধারয় সমাস।
পূর্বপদে অব্যয় যোগে যে সমাস হয় এবং যাতে অব্যয়ের অর্থটিই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। যেমন— মানানোর অভাব = বেমানান, জলের অভাব = নির্জল ইত্যাদি।
অব্যয়ীভাব সমাসে অব্যয় পদটি সমিপ্য, বীপ্সা, অভাব, যোগ্যতা, অতিক্রম, পশ্চাৎ, পর্যন্ত ইত্যাদি অর্থে ব্যবহূত হয়ে থাকে।
জব সলুশন