দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর ১৯৯ হলে বড় সংখ্যাটি কত?
ধরি, ছোট সংখ্যাটি = x
বড় সংখ্যাটি = (x+১)
প্রশ্নমতে, (x+১)২-x২=১৯৯
=> x২+২x+১-x২=১৯৯
=>২x = ১৯৯-১
=> x = ১৯৮/২
=> x = ৯৯
বড় সংখ্যাটি ৯৯+১=১০০
Related Questions
ক্রয়মূল্য = (৩৮০ + ২০) টাকা = ৪০০ টাকা
৪০০ টাকায় ক্ষতি হয় ২০ টাকা
∴ ১ টাকায় ক্ষতি হয় (২০/৪০০) টাকা
∴ ১০০ টাকায় ক্ষতি হয় (২০/৪০০) × ১০০ টাকা = ৫ টাকা
∴ ক্ষতির শতকরা হার ৫%
একমাত্র গণিতে পাস করেছে (৮০ - ৬০)% = ২০%
একমাত্র বাংলাতে পাস করেছে (৭০ - ৬০)% = ১০%
মোট পাস = (৬০ + ২০ + ১০)% = ৯০%
উভয় বিষয় ফেল = (১০০ - ৯০)% = ১০%
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত লেখা (গল্প) 'বাউণ্ডেলের আত্মকাহিনী' মাসিক 'সওগাত' পত্রিকায় ১৩২৬ বঙ্গাব্দের (১৯১৯ খ্রি.) জ্যৈষ্ঠ সংখ্যায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- তার রচিত প্রথম কবিতা 'মুক্তি' প্রথম প্রকাশিত হয় 'বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা'র শ্রাবণ সংখ্যায় ১৩২৬ বঙ্গাব্দে।
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক দীনেশচন্দ্র সেন (১৮৬৬-১৯৩৯ খ্রি) ১৮৯৬ সালে ‘বঙ্গভাষা ও সাহিত্য’ নামে প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সুশৃঙ্খল ও তথ্যসমৃদ্ধ ধারাবাহিক ইতিমূলক এ গ্রন্থটি রচনা করেন।
- আর এটিই বাংলা সাহিত্যের প্রথম যথার্থ ইতিহাস গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত।
- অন্যদিকে ড. সুকুমার সেন, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এবং অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ইতিহাস বিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হলো যথাক্রমে ‘বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস’ (১৯৪০), ‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’ (১৯৫৯) এবং ‘বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত’ (১ম খণ্ড) (১৯৫৯)।
- বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আহমদ শরীফ (১৯২১-১৯৯৯) 'বাংলা একাডেমী সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান' সম্পাদনা করেন, যা ১৯৯২ সালের সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হয়।
- অন্যদিকে ভাষাবিদ, ভাষাবিজ্ঞানী, গবেষক ও শিক্ষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১৮৮৫-১৯৬৯ খ্রি.) সম্পাদনা করেন 'আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' (দুই খণ্ড) ।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি, যিনি বৈষ্ণব পদাবলির ধারায় প্রভাবিত হয়ে ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’ নামে একটি বিশেষ কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন। তিনি এই কাব্যে ভানুসিংহ ঠাকুর নামে ছদ্মনাম গ্রহণ করেন এবং ব্রজবুলি ভাষা ব্যবহার করেন, যা মূলত বৈষ্ণব পদাবলির প্রচলিত ভাষা।
এই কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১২৯১ বঙ্গাব্দের আষাঢ় মাসে। এতে ২০টি পদ রয়েছে, যেগুলোর বেশিরভাগই রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলাভিত্তিক, গীতিকবিতা ধাঁচে রচিত। প্রকাশের সময় পাঠকদের বোঝানোর জন্য বলা হয়েছিল, এগুলো “পুরাতন কালের খাতা হইতে সন্ধান করিয়া বাহির করিয়াছি।”
এ কাব্যের উল্লেখযোগ্য কবিতা ‘মরণ’, যার বিখ্যাত পঙ্ক্তি—
“মরণ রে, তুই মম শ্যামসমান।”
এই কবিতা মৃত্যুকে প্রেমিক রূপে কল্পনা করে, যা রবীন্দ্রনাথের কবিত্বশক্তির নিদর্শন।
জব সলুশন