সিলেট কোন নদীর তীরে অবস্থিত
আড়িয়াল খাঁ নদীর তীরে মাদারীপুর, সুরমা নদীর তীরে সিলেট ও সুনামগঞ্জ, চন্দনা নদীর তীরে ফরিদপুর এবং রূপসা নদীর তীরে খুলনা ও বাগেরহাট জেলা অবস্থিত।
Related Questions
১৭৯৩ সালের ২২শে মার্চ লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- ঐদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির উপর চিরস্থায়ী মালিকানা প্রদান করে যে বন্দোবস্ত করা হয় তা-ই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নামে পরিচিত।
কুমিল্লা বার্ড (BARD)-এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন প্রখ্যাত সমাজবিজ্ঞানী ও পল্লী উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ ড. আখতার হামিদ খান。 ১৯৫৯ সালে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে কুমিল্লার কোটবাড়িতে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (BARD) প্রতিষ্ঠা করেন。 প্রতিষ্ঠানটি তাদের উদ্ভাবিত ‘কুমিল্লা মডেল’-এর জন্য বিশ্বজুড়ে সুপরিচিত。
রাজা রামমোহন রায়ের সক্রিয় সহযোগিতায় লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক ৪ ডিসেম্বর ১৮২৯ সালে সহমরণ প্রথা বা সতীদাহ প্রথা রহিত করেন। সতীদাহ প্রথা রহিত করার জন্য রাজা রামমোহন রায় নিজের মতের স্বপক্ষে হিন্দু শাস্ত্রের নানা প্রমাণ দাখিল করেন।
ভিক্ষুকটা যে পিছনে লেগেই রয়েছে, কী বিপদ!—এই বাক্যে ‘কী’ এর অর্থ বিরক্তি।
⇒ এখানে বক্তা ভিক্ষুকটির নাছোড়বান্দা স্বভাব দেখে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।
⇒ "কী বিপদ!" বলে তিনি কোনো ভয়ের কথা বলছেন না, বরং ভিক্ষুকটি তাকে ছাড়ছে না বলে মনের অস্বস্তি বা বিরক্তি প্রকাশ করছেন।
⇒ ব্যাকরণে একে বলা হয় ‘আবেগসূচক অব্যয়’-এর প্রয়োগ, যেখানে ‘কী’ শব্দটি বিস্ময় বা বিরক্তি প্রকাশে ব্যবহৃত হয়েছে।
====================
মনের নানা ভাব প্রকাশ করা হয় যেসকল শব্দ দিয়ে তাকে আবেগ বলে।
নিম্নে বিভিন্ন ধরনের আবেগ শব্দের প্রয়োগ দেখানো হলো:
● সিদ্ধান্ত আবেগ: এ জাতীয় শব্দের সাহায্যে অনুমোদন, সম্মতি, সমর্থন ইত্যাদি প্রকাশ করা হয়।
যেমন- বেশ, তবে যাওয়াই যাক।
● প্রশংসা আবেগ: এ ধরনের শব্দ প্রশংসা বা তারিফের মনোভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- বাহ, চমৎকার লিখেছ।
● বিরক্তি আবেগ: এ ধরনের শব্দ অবজ্ঞা, ঘৃণা, বিরক্তি ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- ছি ছি! এরকম কথা মুখে মানায় না।
● আতঙ্ক আবেগ: এ ধরনের শব্দ আতঙ্ক, যন্ত্রনা, কাতরতা ইত্যাদি প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- উহ! কি বিপদে পরা গেল।
● বিস্ময় আবেগ: এ ধরনের শব্দ বিস্মিত বা আশ্চর্য হওয়ার ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- আরে! তুমি আবার কখন এলে?
● করূণা আবেগ: এ ধরনের শব্দ করুণা, মায়া, সহানুভূতি ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- আহা! বেচারার কত কষ্ট।
● সম্বোধন আবেগ: এ ধরনের শব্দ সম্বোধন বা আহ্বান করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- ওগো, তোরা সব জয়ধ্বনি কর।
● অলংকার আবেগ: এ ধরনের শব্দ বাক্যের অর্থের পরিবর্তন না ঘটিয়ে কোমলতা, মাধুর্য্য ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য এবং সংশয় অনুরোধ, মিনতি ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- যাকগে, ওসব কথা থাক।
বাংলা সাহিত্যে 'পদ' বা 'পদাবলী' বলতে বোঝায় ছন্দে লেখা ভক্তিমূলক বা দেব-দেবীর প্রশংসামূলক রচনা।
- প্রাচীন ও মধ্যযুগে দেবতার আরাধনার জন্য এগুলো লেখা হতো।
- এই পদগুলো পদ্য বা কবিতার আকারে রচিত হতো এবং সুর করে গাওয়া যেত।
তাই একে পদ্যাকারে রচিত দেবস্তুতিমূলক রচনা বলা হয়।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
- বিশিষ্ট লেখক, সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষবিদ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৮৯১ খ্রি.) রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'সংস্কৃত ব্যাকরণের উপক্রমাণিকা' ও ‘ব্যাকরণ কৌমুদী’ (১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ ভাগ)।
- ভাষাবিদ, ভাষাবিজ্ঞানী, গবেষক ও শিক্ষাবিদ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১৮৮৫-১৯৬৯ খ্রি.) রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'বাংলা ব্যাকরণ'।
- শিক্ষাবিদ ও গবেষক মুহম্মদ এনামুল হক (১৯০৬-১৯৮২ খ্রি.) রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ মঞ্জরী'।
জব সলুশন