বাংলাদেশ কোন সালে ইসলামী সম্মেলন সংস্থার সদস্য পদ লাভ করে?
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত ওআইসি'র বিশেষ সম্মেলনে ৩২তম সদস্যপদ লাভ করে।
- OIC প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ আগষ্ট ১৯৬৯ সালে।
- এর সদর দপ্তর জেদ্দা (সৌদি আরব) ।
- বর্তমানে OIC- এর সদস্য সংখ্যা ৫৭ ।
- এর দাপ্তরিক ভাষা তিনটি। যথা - আরবি, ইংরেজি, ফরাসি।
- ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (IDB) ওআইসির একটি বিশেষায়িত ব্যাংক।
Related Questions
ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জেমস চ্যাডউইক ১৯৩২ সালে নিউট্রন আবিষ্কার করেন। পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকা এই আধানহীন বা চার্জ নিরপেক্ষ কণাটি আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯৩৫ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
অমর্ত্য সেন জনকল্যাণ অর্থনীতি এবং সামাজিক পছন্দ তত্ত্বের পাশাপাশি দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র্যের অন্তর্নিহিত কার্যকারণ নিয়ে গবেষণার জন্য ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন । তিনি প্রমাণ করেন যে দুর্ভিক্ষ কেবল খাদ্য ঘাটতির কারণে নয়, বরং আর্থ-সামাজিক অব্যবস্থাপনা এবং মানুষের ক্রয়ক্ষমতার অভাবেও ঘটে থাকে ।
এশিয়া মহাদেশ
- আয়তনের দিক থেকে পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ হলো এশিয়া।
- পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এই মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
- এশিয়ার আয়তন প্রায় ৪৪,৬১৪,০০০ বর্গ কিলোমিটার (১৭,২২৬,২০০ বর্গ মাইল)।
- ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা এশিয়া মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- এশিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হলো মাউন্ট এভারেস্ট।
- মহাদেশটির উত্তরে উত্তর মহাসাগর, দক্ষিণে ভারত মহাসাগর, পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগর এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে লোহিত সাগর ও আফ্রিকা মহাদেশ অবস্থিত। পশ্চিমে রয়েছে ভূ-মধ্যসাগর ও ইউরোপ মহাদেশ।
- এশিয়া ও ইউরোপের সীমানায় ইউরাল পর্বতমালা অবস্থিত, যা এই দুই মহাদেশকে আলাদা করে।
- জাপান, ফিলিপাইন এবং ইন্দোনেশিয়া হলো এশিয়ার অন্তর্ভুক্ত দ্বীপপুঞ্জ এবং এদেরকে খণ্ডিত রাষ্ট্র বলা হয়।
- এশিয়ার মধ্যে আয়তনে বৃহত্তম দেশ চীন এবং ক্ষুদ্রতম দেশ মালদ্বীপ।
- মহাদেশটির দীর্ঘতম নদী হলো ইয়াংসিকিয়াং।
- এশিয়া অবস্থিত জাপানকে "সূর্যোদয়ের দেশ" বলা হয়।
ঢাকা বিভাগে মোট ১৩টি জেলা রয়েছে। জেলাগুলো হলো :
১. ঢাকা
২. ফরিদপুর
৩. গাজীপুর
৪. গোপালগঞ্জ
৫. কিশোরগঞ্জ
৬. মাদারীপুর
৭. মানিকগঞ্জ
৮. মুন্সিগঞ্জ
৯. নারায়ণগঞ্জ
১০. নরসিংদী
১১. রাজবাড়ী
১২. শরীয়তপুর
১৩. টাঙ্গাইল
১৯২৫ সালে কলকাতায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা ভাষার গবেষণা ও সাহিত্যচর্চার প্রস্তাব করেন। বিভাগোত্তরকালে ১৯৪৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর ঢাকায় পূর্ব পাকিস্তান সাহিত্য সম্মলনে মূল সভাপতির অভিভাষণে শহীদুল্লাহ একটি একাডেমি গড়ার কথা বলেন। পরবর্তীতে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দলনের ফলে বাংলা ভাষা-সাহিত্য-সংস্কৃতির গবেষণা ও চর্চার কেন্দ্ররুপে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার দাবি আরও জোরালো হয়। অবশেষে ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়, যা উদ্বোধন করেন যুক্তফ্রন্ট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার ।
- বাংলা একাডেমির প্রথম প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (স্পেশাল অফিসার) মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি ছিলেন মওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ।
- বাংলা একাডেমির প্রথম পরিচালক ড. মুহম্মদ এনামুল হক।
- বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক অধ্যাপক মযহারুল ইসলাম।
'সোনালি আঁশের দেশ' বলা হয় বাংলাদেশকে। বিপুল পরিমাণ উন্নত মানের পাট উৎপাদনের জন্য এবং একসময় পাট রপ্তানি থেকে দেশের অর্থনীতি ও বৈদেশিক আয়ের সিংহভাগ আসায় বাংলাদেশকে এই বিশেষ নামে ভূষিত করা হয়।
জব সলুশন