শরতের শিশির-বাগধারা শব্দটির অর্থ কী?

ক) সুসময়ের বন্ধু
খ) সুসময়ের সঞ্চয়
গ) শরতের শোভা
ঘ) শরতের শিউলি ফুল
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

”শরতের শিশির” বাগধারাটির অর্থ সুসময়ের বন্ধু, ক্ষণস্থায়ী। সুসময়ের বন্ধুরা সাধারণত ক্ষণস্থায়ী হয়ে থাকে।

দুধের মাছি বাগধারার অর্থও সুসময়ের বন্ধু।

Related Questions

ক) বিরামহীন
খ) বালিশ
গ) চলন
ঘ) সুন্দর
Note :

‘অভিরাম’ শব্দটি সংস্কৃত উপসর্গ যোগে গঠিত। এর অর্থ মনোহর, সুন্দর, তৃপ্তিদায়ক। বিরামহীন শব্দের অর্থ বিরতিহীন। বালিশ শব্দের অর্থ উপাধান । চলন অর্থ গমন, ভ্রমণ, প্রথা, ধারা, রীতি, রেওয়াজ। 

ক) তৃতীয়া বিভক্তি
খ) প্রথমা বিভক্তি
গ) দ্বিতীয়া বিভক্তি
ঘ) শূন্য বিভক্তি
Note :

• বাংলা শব্দ বিভক্তি ৭ প্রকার- বিভক্তির নাম - বিভক্তি প্রথমা বা শূণ্য বিভক্তি- ০, অ দ্বিতীয়া বিভক্তি- কে, রে তৃতীয়া বিভক্তি- দ্বারা, দিয়া (দিয়ে), কর্তৃক চতুর্থী বিভক্তি- কে, রে* পঞ্চমী বিভক্তি- হইতে (হতে), থেকে, চেয়ে ষষ্ঠী বিভক্তি- র, এর সপ্তমী বিভক্তি- এ, য়, তে

ক) ঐচ্ছিক-অনাবশ্যক
খ) কুটিল-সরল
গ) কম-বেশী
ঘ) কদাচার-সদাচার
Note :

ঐচ্ছিক (বিশেষণ): ইচ্ছাধীন; ইচ্ছা সাপেক্ষ; আবশ্যিক (বিশেষণ): আবশ্যকরণীয়; বাধ্যতামূলক; অর্থাৎ ঐচ্ছিক শব্দের বিপরীত শব্দ আবশ্যিক।

ক) ফারসী
খ) পর্তুগীজ
গ) ওলন্দাজ
ঘ) পাঞ্জাবী
Note :

পর্তুগিজ শব্দ - গীর্জা, পাদ্রী, বোবা, কেরানী, মিস্ত্রি, কামড়া, জানালা, আয়া, আলাপ, আচাড়, ইংরেজ, পিস্তল, তোয়ালে, গুদাম, চাবি, আলমিরা, গামলা, বালতি, আনারস,পেপে,পেয়ারা, তামাক, আলপিন খোঁচা, নোনা ।

ক) বিভক্তি
খ) কারক
গ) প্রত্যয়
ঘ) অনুসর্গ
Note :

বাক্যস্থিত একটি শব্দের সঙ্গে অন্য শব্দের অন্বয় সাধনের জন্য শব্দের সঙ্গে যে সকল বর্ণ যুক্ত হয়, তাদের বিভক্তি বলে। যেমন- কে, রে, এ, য়, তে, এতে, দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক, হইতে, থেকে, চেয়ে প্রভৃতি। শব্দ গঠনের উদ্দেশ্যে নাম প্রকৃতির এবং ক্রিয়া প্রকৃতির পরে যে শব্দাংশ যুক্ত হয় তাকে প্রত্যয় বলে। যেমন- কৃ + তা = কর্তা; বচ + ক্তি = উক্তি; শুচ + ঘঞ = শোক; মনু + ষ্ণ = মানব; এখানে তা, ক্তি, ঘঞ ও ষ্ণ হলো প্রত্যয়। বাংলা ভাষায় যে অব্যয় শব্দগুলো কখনো স্বাধীন পদরূপে, আবার কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে তাকে অনুসর্গ বলে। যেমন- প্রতি, বিনা, বিনে, বিহনে, হেতু, মাঝে, মধ্যে, পরে, তরে, পানে, পাছে, ভেতর, নিকট, অধিক, সহ, বই, অবধি, ইত্যাদি। 

ক) মেঘ উত্তম তাপ পরিবাহক
খ) সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে মেঘ তাপ উৎপন্ন করে
গ) বজ্রপাতের ফলে তাপ উৎপন্ন হয় বলে
ঘ) মেঘ পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে বিকীর্ণ তাপকে উপরে যেতে বাধা দেয় বলে
Note :

দিনের বেলায় সূর্য থেকে যে আলোকরশ্মি(তাপ ও আলো) বিকিরণ আকারে আসে তার তরঙ্গদৈর্ঘ হয় বেশ ছোট।

এ কারণে তা খুব সহজেই বর্ষার মেঘ ভেদ করে ভূপৃষ্ঠে চলে আসতে পারে। এই বিকিরণ ভূপৃষ্ঠে সহজে আসতে পারলেও প্রতিফলিত হয়ে মহাকাশে চলে যেতে পারে না।

কারণ প্রফলন হবার সময়ে এদের তরঙ্গদৈর্ঘ বেশ বড় হয়ে যায় ফলে তখন আর সহজে মেঘ ভেদ করতে পারে না।

সেগুলি মেঘের গায়ে ধাক্কা খেয়ে মাটির দিকে ফিরে আসে।

এ কারণে মেঘলা দিনে/রাতে ভূপৃষ্ট থেকে বির্কীর্ণ তাপের একটা অংশ মেঘ ও মাটির মধ্যেকার বায়ুমন্ডলে আটকে পড়ার ফলে মাটি এবং তার লাগোয়া বাতাসের স্তর ঠান্ডা তো হয়ই না, বরং বেশ গরম হয়েই থাকে।

এতে আবহাওয়ার উষ্ণতা বেড়ে যায় বলেই গরমটা বেশি লাগে।

জব সলুশন

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ- মেট্রোপলিটন সার্কেল- পোস্টাল অপারেটর/মেইল অপারেটর 2026-05-02

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর — রেকর্ড কিপার 2026-05-02

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন- উপ-সহকারী প্রকৌশলী ২৪-০৪-২০২৬

৮ম এনটিআরসিএ প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ পরীক্ষা — মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৬ষ্ঠ-১০ম) 2026-04-18

ভূমি মন্ত্রণালয় - অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ২০২৬

নেসকো - সাব-স্টেশন সহকারী ২০২৬

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন