উল্লিখিতদের মধ্যে কে প্রাচীন যুগের কবি নন?
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন তথা সাহিত্য নিদর্শন। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত পুঁথি উদ্ধার করেন।
- চর্যাপদের প্রধান কবিগণ হলেন লুইপাদ, কাহ্নপাদ, ভুসুকুপাদ, শবরপাদ, শান্তিপাদ প্রমুখ।
- চর্যাপদের প্রথম এবং ঊনত্রিশতম পদ লুইপার রচনা।
- লুইপা বৌদ্ধধর্মের একজন মহাসিদ্ধ, কবি ও বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থের রচয়িতা।
Related Questions
বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের তত্ত্বকথা বিধৃত হয়েছে। চর্যাপদের মাধ্যমে বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যেরা গোপন তত্ত্বদর্শন ও ধর্মচর্চাকে বাহ্যিক প্রতীকের সাহায্যে ব্যক্ত করেছেন। বৌদ্ধধর্মের মহাযান শাখা কালক্রমে যেসব উপশাখায় বিভক্ত হয়েছিল তারই বজ্রযানের সাধনপ্রণালী ও তত্ত্ব এতে বিধৃত করা হয়েছে।
উর্ণনাভ হল মাকড়সার একটি অন্য নাম। এটি সংস্কৃত শব্দ ঊর্ণা থেকে এসেছে, যার অর্থ হল "উল"। মাকড়সার জালটি উলের মতো দেখতে হওয়ায় এটিকে উর্ণনাভ বলা হয়।
অন্যের রচনা থেকে চুরি করা বা অন্যের ভাব, শব্দ ইত্যাদি গ্রহণ করে নিজের বলে ব্যবহার করাকে বলা হয় কুম্ভিলকবৃত্তি (plagiarism)।
• সর্বাঙ্গীণ' শব্দের সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয়- সর্বাঙ্গ + ঈন ।
• সর্বাঙ্গীণ, সর্বাঙ্গীন /বিশেষণ পদ/ সম্পূর্ণ, নিঁখুত; সর্বাঙ্গব্যাপী; পূর্ণাঙ্গ।
এককথায় প্রকাশ :
বেঁচে থাকার ইচ্ছা→ জিজীবিষা।
জয়ের ইচ্ছা→জিগীষা।
হনন (হত্যা) করার ইচ্ছা→জিঘাংসা।
কিছু সংস্কৃত শব্দ সামান্য বিকৃতভাবে বাংলায় ব্যবহূত হয়, যেগুলিকে বলা হয় অর্ধতৎসম শব্দ,
যেমন:
- চন্দর< চন্দ্র,
- বাদ্যি < বাদ্য,
- মিষ্টি <মিষ্ট,
- সত্যি < সত্য,
- জ্যোৎস্না˂>জ্যোছনা ইত্যাদি।
জব সলুশন